ইরানি সংসদ স্পিকার: কূটনীতি কাজ না করলে মুসলিম দেশগুলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শক্তি দেখাতে হবে

আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৫ ১২:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৫ ১২:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ ইসলামাবাদে বলেছেন, কেবল কূটনীতি ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকাতে যথেষ্ট নয়; প্রয়োজনে মুসলিম দেশগুলোকে “শক্তি প্রয়োগ” দেখাতে হবে—তিনি একইসঙ্গে পাকিস্তানের প্রতি জুনের সংঘাতের সময় জনসমর্থনের প্রশংসা করেছেন এবং ওই সংঘর্ষ ও তার পরিণতি সম্পর্কে ইরানি গণমাধ্যমের বর্ণনা তুলে ধরেছেন। 
 
ইসলামাবাদে তার ওই বক্তব্যের সূত্র ধরেই কলিবফ সতর্ক করেছেন যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতক প্রচেষ্টা একমাত্র হাতিয়ার হলে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ অসম্পূর্ণ থেকে যেতে পারে। তিনি ইসলামী সম্প্রদায়ের ঐক্য ও শক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের শক্তিই আমাদের যুক্তি; কিন্তু বোঝাপড়া না হলে শক্তি দেখাতে হয়।” কলিবফ তার বক্তব্য শুরু করেছিলেন জুনে ইরানের বিরুদ্ধে হওয়া সন্ত্রাসী আক্রমণের সময় পাকিস্তান জনগণের সমর্থনের প্রশংসা করে এবং জানান যে সে সমর্থন তাকে যুদ্ধ পরবর্তী প্রথম বৈদেশিক সফরে পাকিস্তান যেতে উৎসাহিত করেছে। 
 
কলিবফ সংবাদে যেসব আক্রমণ ও প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেছেন, তা প্রধানত ইরানি সূত্রভিত্তিক বিবরণ এবং রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত—যেমন জুনের শুরুতে সংঘটিত হামলা-প্রতিহতির ঘটনাকে ১২ দিনের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করে কিছু সরকারি সূত্র উল্লেখ করেছে যে সংঘর্ষে বহু প্রাণহানি ও ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে নিহত ও আঘাতপ্রাপ্ত সংখ্যা নিয়ে পার্থক্য থাকায় স্বাধীন গণমাধ্যমীয় তৎপরতা এবং আন্তর্জাতিক যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে; রোববার থেকে এ ঘটনাবলি ও সংখ্যাগণনা নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা ও ইরানি সূত্রগুলোর নির্দেশ ভিন্নতা দেখা গেছে। 
 
কলিবফ বিশেষভাবে যুক্তি দিয়েছেন যে, ইরানি প্রতিরোধ ও পাল্টা পদক্ষেপের সময় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপই ইসরায়েলকে সংকট থেকে উত্তীর্ণ করেছে—এই দাবি তিনি পরোক্ষভাবে এবং নিজের বিবৃতিতে তুলে ধরেন, ও বলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কمان্ড-সহায়তায় ইসরায়েল প্রাথমিক পরিস্থিতি সামলাতে পেরেছে। এ ধরনের রাষ্ট্রীয় দাবি ও প্রতিশ্রুতির রাজনৈতিক ব্যাখ্যা অঞ্চলভিত্তিক কূটনীতি, সামরিক সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক শক্তি সমীকরণের সঙ্গে জড়িত; তাই বিষয়গুলো সম্পর্কে নিরপেক্ষভাবে পাঠককে সমসাময়িক সংবাদ ও স্বাধীন বিশ্লেষণ একসঙ্গে দেখতে বলা যায়। 
 
কলিবফের ইসলামাবাদ সফরের লক্ষ্য হিসেবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রসার—এটিও তিনি উল্লেখ করেছেন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ককে জোরদার করার কথা বলেছেন। তার এই মন্তব্য কেবল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ইস্যুতে নয়, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমীকরণের প্রেক্ষাপটেও মানুষের উদ্বেগ ও নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে; তাই এই ধরনের উচ্চস্তরের বিবৃতি অঞ্চলে কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও সরকারগুলোর ধীরস্থির পদক্ষেপ দাবিকর। 

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]