ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশের তিন বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ভোটের দিন ও আগে-পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় ৯০ হাজার সেনাসদস্য, আড়াই হাজারের বেশি নৌবাহিনী এবং দেড় হাজারের মতো বিমানবাহিনীর সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি উপজেলায় থাকবে সেনাবাহিনীর একেকটি কোম্পানি, যা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে নির্বাচনি নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান করবে।
শনিবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
বৈঠকে আসন্ন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে অপরিহার্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর জোর দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও নিরপেক্ষ রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং এ লক্ষ্যে তিন বাহিনীর প্রস্তুতি প্রশংসনীয়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত ১৫ মাসে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। আসন্ন নির্বাচনে একই দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।
একই সঙ্গে আগামী ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টাকে যোগদানের আমন্ত্রণ জানান তিন বাহিনীর প্রধানরা।