ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি ক্ষমতা হস্তান্তর পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছিল, যেখানে মাদুরো তিন বছরের মধ্যে পদত্যাগ করবেন এবং উপ-রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ ২০৩১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে, এটিকে “স্বৈরাচার বৈধ করার প্রচেষ্টা” বলে আখ্যা দিয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)–এর তথ্য অনুযায়ী, মাদুরো সরকারের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, উপ-রাষ্ট্রপতি রদ্রিগেজ পুনর্নির্বাচনে অংশ নেবেন না, বরং একটি “স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ” তৈরিতে ভূমিকা রাখবেন। কিন্তু ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তারা কোনোভাবেই এমন পরিকল্পনা সমর্থন করবে না যা “নার্কো-টেররিস্ট রাষ্ট্রকে বৈধতা দেয়।”
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)–এর তথ্য অনুযায়ী, মাদুরো সরকারের প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, উপ-রাষ্ট্রপতি রদ্রিগেজ পুনর্নির্বাচনে অংশ নেবেন না, বরং একটি “স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ” তৈরিতে ভূমিকা রাখবেন। কিন্তু ওয়াশিংটন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তারা কোনোভাবেই এমন পরিকল্পনা সমর্থন করবে না যা “নার্কো-টেররিস্ট রাষ্ট্রকে বৈধতা দেয়।”
মার্কিন কর্মকর্তারা আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার বর্তমান সরকারকে অবৈধ মনে করে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র–ভেনেজুয়েলা সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে এটি দক্ষিণ আমেরিকায় মার্কিন প্রভাব পুনর্গঠনের ইঙ্গিতও বহন করে।