পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া ও অন্যান্য এলাকায় আশ্বিন মাসের শেষ দিক থেকে হেমন্তের আগমন প্রকৃতিতে কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি দিয়ে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। রাতভর হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দিয়ে ঢেকে থাকে ভোরের আকাশ, যা প্রকৃতিকে যেন একটি সাদা চাদরে মোড়া করেছে।
দিন ও রাতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পতন অনুভূত হচ্ছে। সকালে ঘাসের ওপর শিশির বিন্দু জমে এবং মৃদু ঠাণ্ডা বাতাস শরীরে স্পর্শ করছে। এই সময় অঞ্চলটির তাপমাত্রা প্রায় ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রেকর্ড করা হয়েছে, যেখানে বাতাসের আদ্রতা ৯৮ শতাংশ ছিল।
দিনের গরম থাকলেও সন্ধ্যার পর আকাশ মেঘলা হয়ে কুয়াশা নামে যা রাত পর্যন্ত বিরাজমান থাকে। নতুন বীজ থেকে চারা ফুটে উঠছে, শিশির বিন্দু সেই সবুজের ওপর ছড়িয়ে পড়ছে, যা শীতের সতর্ক আগমন নির্দেশ করছে। তুলা ও কাপড়ের মূল্যের বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে, যার কারণে অনেক মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবার শীতের জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে শ্রমজীবী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী শীতের প্রস্তুতি নিতে পারছে না। তাদের জন্য প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ রয়েছে, যদিও প্রত্যন্ত অঞ্চলের দূরত্বে তা পৌঁছাতে সমস্যা রয়েছে।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবেত আলী জানান, হিমালয়ের কন্যা পঞ্চগড়ে অন্য জেলার তুলনায় শীত আগেভাগেই উপস্থিত হয়, এবং এলাকার দুস্থদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।