ভোটার তালিকা জটিলতায় মোদির সরকারকে বিরোধীদের তোপ, উঠছে পদত্যাগের দাবি

আপলোড সময় : ২৯-০৮-২০২৫ ১২:৩০:২৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০৮-২০২৫ ১২:৩০:২৬ অপরাহ্ন

নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই প্রবল বিতর্কের মুখে পড়েছেন, বিরোধী দলগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করছেন, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন হয়েছে ভুল ও বিতর্কিত ভোটার তালিকার ভিত্তিতে, যেখানে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ গিয়ে এবং জাল ভোটার অন্তর্ভুক্তির সুযোগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তার এই অভিযোগে সমর্থন জানিয়েছেন তৃণমূল, ডিএমকে ও আরজেডির মতো বড় বড় বিরোধী দলের নেতারাও।
 

নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই স্বীকার করেছে, বিহারসহ কয়েকটি রাজ্যে ভোটার তালিকায় ব্যাপক ত্রুটি রয়েছে, বিশেষ নিবিড় পর্যালোচনা (এসআইআর) চালিয়ে শুধু বিহারে ৬৫ লাখের বেশি নাম বাদ পড়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছেন, বিহার বা পশ্চিমবঙ্গে যদি ভোটার তালিকায় অনিয়ম থাকে, তবে মহারাষ্ট্র বা গুজরাটের নির্বাচনী তালিকা কীভাবে নিখুঁত থাকতে পারে—এমন দ্বৈতনীতিকে ঘিরেই মোদি সরকারের বৈধতা নিয়ে সন্দেহ উত্থাপিত হচ্ছে। অভিষেক ব্যানার্জী এমনকি দাবিও তুলেছেন, দেশের ওপর প্রভাব ফেলা এই ভোটার তালিকা যদি ভুল থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ লোকসভা ভেঙে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ জরুরি।
 

বিজেপির পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হচ্ছে। তারা পাল্টা যুক্তি দিচ্ছে, অতীতে যখন কংগ্রেস সরকার ছিল, সেই সময়ও তো নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ হয়েছিল কংগ্রেসের হাতেই, তাহলে কি সেসময়ের কমিশনাররাই বিজেপিকে জেতাতে অনিয়ম করেছিলেন। নির্বাচন কমিশনের ভাষ্য, রাহুল গান্ধী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তার অভিযোগের যথাযথ প্রমাণ বা হলফনামা পেশ না করায়, কমিশন তদন্তের প্রয়োজন দেখছে না। তবুও, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর এ বিরোধিতা এবং নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনপরিসরে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটাই ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]