জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াতের ফজিলত জানেন কি?

আপলোড সময় : ০৭-০৮-২০২৫ ০৯:০১:৩৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ০৭-০৮-২০২৫ ০৯:০৮:০১ পূর্বাহ্ন

সূরা কাহফ (Surah Al-Kahf) হলো কুরআনের ১৮ নম্বর সূরা। এতে রয়েছে ঈমান, ফিতনা, ধৈর্য, আল্লাহর রহমত ও কিয়ামতের শিক্ষা। বিশেষ করে জুমার দিন সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি আমল—যা বহু সহিহ হাদিসে প্রমাণিত।


 হাদিসসমূহ ও ফজিলত:

 

 ১. জুমার দিনে নূর (আলো) লাভ:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত একটি নূর (আলো) সৃষ্টি হবে।"
—(সুনান আল-দারিমি: ৩৪০৭, হাদিস সহিহ)

অর্থাৎ, এটি তাকে আলোকিত রাখবে—পাপ থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে।

 

২. দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা:
হযরত নবী কারীম (সা.) আরও বলেছেন:

"যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ রাখবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।"
—(সহিহ মুসলিম: ৮০৯)

আর অন্য বর্ণনায় এসেছে:

"সূরা কাহফের শেষ দশ আয়াত দাজ্জালের বিপদ থেকে রক্ষা করবে।"
—(মুসলিম, হাদিস: ৮০৯)

এতে বোঝা যায়, দাজ্জালের ভয়াবহ ফিতনা থেকে বাঁচতে সূরা কাহফ নিয়মিত পড়া এবং মুখস্থ রাখা দরকার।

 

 ৩. কিয়ামতের আলো:

"যে ব্যক্তি সূরা কাহফ তিলাওয়াত করে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এক আলো হবে, যা মক্কা থেকে মদীনা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।"
—(হাকিম, মুস্তাদরাক: হাদিস ৩৩৯২ - সহিহ হিসেবে গ্রহণযোগ্য)

 

কখন পড়া উত্তম?

  • জুমার দিন ফজরের পর থেকে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় তিলাওয়াত করা যায়।

  • তবে অনেকে জুমার নামাজের আগেই পড়ে থাকেন, যেহেতু এটি জুমার দিনের আমল।

 

 কিছু উপকারিতা (সারসংক্ষেপে):

  • পাপ মোচন হয়

  • দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা

  • দুই জুমার মাঝে নূর বা আলো

  • কিয়ামতের দিন আলোকিত পথ:

 

প্রতি জুমার দিন এই আমলটি নিয়ম করে গ্রহণ করুন। যদি পুরো সূরা কাহফ পড়তে সময় না পান, অন্তত প্রথম বা শেষ ১০ আয়াত মুখস্থ ও তিলাওয়াতের চেষ্টা করুন।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]