<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"

>
    <channel>
        <title>দৈনিক কালের দিগন্ত | সত্যের আলোয় প্রকাশিত </title>
        	<atom:link href="https://kalerdiganta.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
        	<atom:link href="https://pubsubhubbub.appspot.com/" rel="hub" />
        <link>https://kalerdiganta.com</link>
        <description> বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন। </description>
        <language>bn</language>
                 
    
    <item>
		<title>চুয়েটে শিক্ষক সদস্যদের ছাড়াই উপাচার্যের সিন্ডিকেট সভা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10692/cuet-vc-syndicate-meeting-without-teacher-members</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 22:56:50 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10692/cuet-vc-syndicate-meeting-without-teacher-members</guid>
		<description> চুয়েটে শাটডাউন ও অসহযোগ কর্মসূচির মধ্যে অনলাইনে সিন্ডিকেট সভা হয়েছে। উপাচার্য ছাড়া অন্য শিক্ষক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন না। সভার সিদ্ধান্তও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;p&gt;চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চলমান শাটডাউন ও অসহযোগ কর্মসূচির মধ্যেই সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সভায় উপাচার্য ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো শিক্ষক সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। শুক্রবার সন্ধ্যায় অনলাইনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সভায় অংশ নেওয়া সিন্ডিকেট সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাহিদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, উপাচার্য ছাড়া চুয়েটের ছয়জন শিক্ষক সদস্যের কেউ সভায় উপস্থিত ছিলেন না। সভার বিষয়ে উপাচার্য নিজেই বিস্তারিত জানাবেন বলে তিনি এ নিয়ে আর কিছু বলতে চাননি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে উপাচার্য পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন চলছে। গত সোমবার সকালে ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপাচার্য ভবনের তালা ভেঙে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁকে ভেতরে রেখেই ভবনের ফটকে আবার তালা দেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিক্ষোভের মুখে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্যাম্পাসে ফিরে তিনি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;চুয়েটের সিন্ডিকেটে উপাচার্যসহ মোট ১৭টি সদস্যপদ রয়েছে। তবে সহ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য। বাকি ১৫ জন সদস্যের মধ্যে সভায় কতজন উপস্থিত ছিলেন, তা জানা যায়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সভার সিদ্ধান্ত জানতে উপাচার্যের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চালু করা কিংবা চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শুক্রবার ছিল শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক শাটডাউনের ২৫তম দিন। পাশাপাশি শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি এবং অসহযোগ কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>প্রযুক্তির বিবর্তন ও সাংবাদিকতার রূপান্তর </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10691/evolution-of-technology-and-journalism</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 22:19:47 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10691/evolution-of-technology-and-journalism</guid>
		<description> প্রযুক্তির বিবর্তনে প্রথাগত সংবাদমাধ্যম থেকে ডিজিটাল সাংবাদিকতার রূপান্তর, এর সুযোগ, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ আলোচনা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সাংবাদিকতার বিকাশ প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। মুদ্রণযন্ত্র সংবাদপত্রের প্রসার ঘটিয়েছে, টেলিগ্রাফ সংবাদ প্রেরণের গতি বাড়িয়েছে, আর রেডিও ও টেলিভিশন সংবাদকে শব্দ ও দৃশ্যের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে ইন্টারনেটের আবির্ভাব সাংবাদিকতার কাঠামো, সংবাদ উৎপাদন ও গ্রহণের পদ্ধতিতে সবচেয়ে গভীর পরিবর্তন এনেছে। বর্তমানে সংবাদ নির্দিষ্ট সময়ের পত্রিকা বা বুলেটিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা ২৪ ঘণ্টার একটি চলমান ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রথাগত সাংবাদিকতায় সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা, প্রকাশ ও বিতরণের নিয়ন্ত্রণ মূলত সংবাদ প্রতিষ্ঠানের হাতে ছিল। পাঠক বা দর্শক ছিলেন প্রধানত সংবাদ গ্রহণকারী। ডিজিটাল সাংবাদিকতা এই একমুখী কাঠামো ভেঙে দিয়েছে। ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সংবাদ তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা যায় এবং পাঠকরাও মন্তব্য, শেয়ার, ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনে অংশ নিতে পারেন। ফলে সাংবাদিকতা এখন বহুমাধ্যমভিত্তিক ও আন্তঃক্রিয়াশীল একটি বিষয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংবাদ গ্রহণের অভ্যাসের পরিবর্তন এই রূপান্তরের অন্যতম বড় দিক। Reuters Institute-এর Digital News Report 2025 অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশে সামাজিক ভিডিওর মাধ্যমে সংবাদ গ্রহণের হার ২০২০ সালের ৫২ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে অনলাইন সংবাদ ভিডিও গ্রহণের হার ৬৭ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশে পৌঁছেছে। অর্থাৎ সংবাদপাঠ ধীরে ধীরে লেখা থেকে ভিডিও, অডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল ফরম্যাটের দিকে বিস্তৃত হচ্ছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এই পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। Pew Research Center-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৮ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিয়মিত Facebook এবং ৩৫ শতাংশ YouTube থেকে সংবাদ গ্রহণ করেন; Instagram ও TikTok-এর ক্ষেত্রেও হার ২০ শতাংশ করে। এসব প্ল্যাটফর্ম সংবাদ বিতরণের পাশাপাশি কোন সংবাদ ব্যবহারকারীর সামনে আসবে, সেটিও অ্যালগরিদমের মাধ্যমে প্রভাবিত করছে। ফলে সাংবাদিকতার প্রচলিত &quot;গেটকিপার&quot; কাঠামোর সাথে প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের অ্যালগরিদমিক ভূমিকা যুক্ত হয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;ডিজিটাল সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো গতি ও বহুমাধ্যম ব্যবহার। একটি প্রতিবেদনে একই সাথে লেখা, ছবি, ভিডিও, অডিও, মানচিত্র ও তথ্যচিত্র যুক্ত করা যায়। ডিজিটাল সাংবাদিকতা সাংবাদিকদের বিপুল পরিমাণ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির সুযোগ দিয়েছে। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সাধারণ মানুষকেও ঘটনাস্থলের ছবি ও ভিডিও প্রকাশের সুযোগ দিয়েছে। ফলে সাংবাদিকরা অনেক সময় প্রত্যক্ষদর্শীর সরবরাহ করা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দ্রুত ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;তবে এই দ্রুততা নতুন সমস্যাও তৈরি করেছে। যাচাই না করা তথ্য, গুজব, ভুয়া ছবি ও ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর শিরোনাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। Pew Research Center-এর গবেষণায় দেখা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ গ্রহণকারীদের মধ্যে ভুল তথ্য নিয়ে উদ্বেগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তাই ডিজিটাল সাংবাদিকতায় তথ্য যাচাই, উৎসের বিশ্বাসযোগ্যতা পরীক্ষা এবং ছবি-ভিডিওর সত্যতা নির্ণয় আগের তুলনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সাংবাদিকতার এই রূপান্তরকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে। তথ্য অনুসন্ধান, ট্রান্সক্রিপশন, অনুবাদ, ডেটা বিশ্লেষণ, আর্কাইভ অনুসন্ধান ও সংবাদ উৎপাদনের বিভিন্ন সহায়ক কাজে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে ডিজিটাল প্রযুক্তিকে সাংবাদিকের বিকল্প হিসেবে দেখার পরিবর্তে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ব্যবহার করাই অধিক যুক্তিসংগত। কারণ তথ্যের সামাজিক প্রেক্ষাপট, নৈতিক গুরুত্ব এবং জনস্বার্থ নির্ধারণে মানুষের বিচারবোধ এখনও অপরিহার্য।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বাংলাদেশেও সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ফেসবুক, ইউটিউব ও মোবাইলভিত্তিক সংবাদ গ্রহণ দ্রুত বিস্তৃত হয়েছে। এর ফলে সংবাদ প্রকাশের গতি বেড়েছে এবং নতুন ধরনের সাংবাদিকতার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সাথে ক্লিকনির্ভর শিরোনাম, যাচাইহীন তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রযুক্তির বিবর্তন তাই সাংবাদিকতাকে বিলুপ্ত করেনি, বরং তার চরিত্র পরিবর্তন করেছে। সংবাদ এখন দ্রুততর, বহুমাধ্যমভিত্তিক, তথ্যনির্ভর ও আন্তঃক্রিয়াশীল। ভবিষ্যতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ডেটা বিশ্লেষণ ও নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সাংবাদিকতার পরিধি আরও বাড়াবে। কিন্তু প্রযুক্তি যতই উন্নত হোক, সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি থাকবে সত্য অনুসন্ধান, তথ্য যাচাই, নৈতিকতা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট। প্রযুক্তি সংবাদ পরিবেশনের পদ্ধতি বদলাতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তা কখনোই অ&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রাসঙ্গিক হবে না।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ধর্ম যার যার, নিরাপত্তার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10690/tarique-rahman-durga-puja-message</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 22:16:52 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10690/tarique-rahman-durga-puja-message</guid>
		<description> শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাম্য ও সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেছেন, ধর্ম যার যার হলেও রাষ্ট্র সবার এবং নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারও সবার।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া ওই বাণীতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাণীতে তারেক রহমান বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল শিক্ষা। মানবতার কল্যাণও প্রতিটি ধর্মের অন্যতম প্রধান আদর্শ। নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ধরে রাখা সবার দায়িত্ব।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যে আগমন করেন। তিনি ভক্তদের কল্যাণ সাধন, অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সৃষ্টির লালনের প্রতীক। অশুভের বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব বিশেষ তাৎপর্য লাভ করেছে।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে নিজ নিজ ধর্ম পালন করেন। এটি দেশের দীর্ঘদিনের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় হয়।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;তারেক রহমান বলেন, বহু প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের অবসানের পর বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে দেশ পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে চলছে। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের অঙ্গীকার।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তায় দেশের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ আরও সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;&lt;br&gt;&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;font size=&quot;4&quot;&gt;বাণীর শেষাংশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঙ্গে নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে সারা দেশে দুর্গাপূজার উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি তাঁদের আবারও শুভেচ্ছা জানান।&lt;/font&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফিলিপাইনে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10689/ফিলিপাইনে-সিন্ডিকেট-করে-পেঁয়াজের-মূল্যবৃদ্ধি</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 16 Oct 2026 22:12:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10689/ফিলিপাইনে-সিন্ডিকেট-করে-পেঁয়াজের-মূল্যবৃদ্ধি</guid>
		<description> পেঁয়াজের আমদানি ও বিতরণে অবৈধ বাজার ভাগাভাগির দায়ে ফিলিপাইনে ছয়টি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ১.৭৬ বিলিয়ন পেসো জরিমানা করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফিলিপাইনে সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগে ছয় কোম্পানিকে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়েছে।&amp;nbsp;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) এমন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ফিলিপাইনের কর্তৃপক্ষ।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ছয়টি কোম্পানিকে ১৭৬ কোটি পেসো (২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা করেছে। এই কোম্পানিগুলো একটি ‘সিন্ডিকেট’ গড়ে তুলেছিল, যার ফলে পেঁয়াজের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২২ সালে ফিলিপাইনে পেঁয়াজের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ৮০০ পেসোতে পৌঁছায়, যা ছিল একটি রেকর্ড। এই দাম দেশটির দৈনিক ন্যূনতম মজুরি এবং মাংসের দামকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই সংকট তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ফার্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়রের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করে, যিনি খাদ্যপণ্যের ক্রমবর্ধমান দাম কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বুধবার ফিলিপাইন কম্পিটিশন কমিশন (পিসিসি) জানিয়েছে, পেঁয়াজ আমদানিকারক, সংরক্ষণকারী ও পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আরোপিত এই জরিমানা ২০১৬ সালে কমিশন গঠনের পর থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অঙ্কের জরিমানা।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২২ সালের শেষ দিক থেকে ২০২৩ সালের শুরু পর্যন্ত কয়েক মাস ধরে রেস্তোরাঁগুলোর মেনু থেকে পেঁয়াজ উধাও হয়ে গিয়েছিল এবং এটি চোরাচালানের বস্তুতে পরিণত হয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এমনকি পেঁয়াজ এক পর্যায়ে আভিজাত্যের প্রতীকেও পরিণত হয়; এমনকি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কনের হাতে ফুলের তোড়ার পরিবর্তে পেঁয়াজের তোড়াও দেখা গিয়েছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়। প্রেসিডেন্ট মার্কোস এই সংকটের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে ফিলিপাইনের মানুষ অনাহার ও দারিদ্র্যে মারা যাচ্ছে।’&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;২০২৩ সালের পরবর্তী সময়ে স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন বাজারে আসায় সংকট কেটে যায় এবং দাম স্থিতিশীল হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;মূল্য সংকট তদন্তের দায়িত্বে থাকা একটি সংসদীয় কমিটি জানায়, পেঁয়াজের দামের এই ‘কৃত্রিম’ উল্লম্ফনের পেছনে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পিসিসি জানিয়েছে, কোম্পানিগুলোতে অভিযান চালিয়ে পাওয়া তথ্য-প্রমাণ থেকে দেখা যায়, ২০২০ ও ২০২১ সালে পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদিত মোট পরিমাণের প্রায় ৫০ শতাংশই এই ছয়টি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণ করত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কমিশনের ভাষ্য, কোম্পানিগুলো পেঁয়াজ আমদানি, হিমাগারে সংরক্ষণ এবং পাইকারি বিতরণের ক্ষেত্রে একটি ‘অবৈধ বাজার বণ্টন ব্যবস্থা’ গড়ে তুলেছিল।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;পিসিসি আরও জানায়, এই বড় অঙ্কের জরিমানা অর্থনীতির সব খাতে সিন্ডিকেটগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার এবং প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ভোক্তাদের রক্ষা করার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;কমিশন জানিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ ফৌজদারি মামলাও দায়ের করতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>৪৫ তম বিসিএসে ১,৭০২ জনের নিয়োগ; যোগদানের শেষ সময় ১ নভেম্বর </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10686/45th-bcs-final-appointment-gazette</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 23:00:45 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10686/45th-bcs-final-appointment-gazette</guid>
		<description> ৪৫তম বিসিএসে ১ হাজার ৭০২ জনকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের ১ নভেম্বরের মধ্যে যোগ দিতে বলা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[৪৫তম বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭০২ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগ দিতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্তরা জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুযায়ী নবম গ্রেডে ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা বেতনক্রমে চাকরি করবেন। ২০২২ সালের নভেম্বরে ৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়।&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
২০২৩ সালের মে মাসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৮ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। সবশেষে ওই বছরের ২৬ নভেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য ১ হাজার ৮০৭ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। চূড়ান্ত সুপারিশ প্রকাশের ১০ মাসেরও বেশি সময় পর নিয়োগের গেজেট প্রকাশ করা হলো। এদিকে, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসের প্রার্থীরাও নিয়োগের প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় রয়েছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ৪৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে ১ হাজার ৪৫৭ জনকে সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়। অন্যদিকে, গত ২৮ জুন প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে ক্যাডার পদে ১ হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে চার মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ৪৭তম বিসিএসের নিয়োগ গেজেট প্রকাশিত হয়নি।&lt;br&gt;
&lt;br&gt;
এর আগেও বিভিন্ন বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর নিয়োগের গেজেট প্রকাশে দীর্ঘ সময় লেগেছে। ৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় ২৩১ দিন পর ২০২৪ সালের মার্চে নিয়োগের গেজেট প্রকাশ করা হয়। ৪৩তম বিসিএসের ক্ষেত্রে প্রথম গেজেট প্রকাশে সময় লাগে প্রায় ২৯৪ দিন। আর ৪০তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর নিয়োগের গেজেট প্রকাশে সময় লেগেছিল ২১৬ দিন। এ ছাড়া চিকিৎসকদের জন্য অনুষ্ঠিত ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর গেজেট প্রকাশে প্রায় ১৩৩ দিন সময় লাগে। শিক্ষকদের জন্য অনুষ্ঠিত ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের নিয়োগ গেজেট প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন: শফিকুর রহমান </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10685/shafiqur-rahman-religious-freedom-durga-puja</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 22:57:24 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10685/shafiqur-rahman-religious-freedom-durga-puja</guid>
		<description> দুর্গাপূজা উপলক্ষে সব ধর্মের মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকারের কথা বলেছেন শফিকুর রহমান। পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্ব </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন পূর্ণ নিরাপত্তা ও স্বস্তির সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ। দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুসারে নির্বিঘ্নে আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করে আসছেন। আসন্ন দুর্গাপূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাই পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, দেশের অতীত ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নিরাপদ ও স্বস্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল ও জনবান্ধব সংগঠন হিসেবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব ধর্মের মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রাখবেন এবং প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নতুন কমিশনের মেয়াদে দুদকের ১২২ মামলা অনুমোদন </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10684/acc-approves-122-cases-new-commission</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 22:39:09 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10684/acc-approves-122-cases-new-commission</guid>
		<description> নতুন কমিশনের মেয়াদে ২০ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২২টি মামলা ও ৬৬টি অভিযোগপত্র অনুমোদন করেছে দুদক। ৬৮ জনের সম্পদ জব্দের আদেশও দেওয়া হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২০ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২২টি মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন মামলায় ৬৬টি অভিযোগপত্র অনুমোদন করেছে কমিশন। এ ছাড়া ঘুষ লেনদেনের সময় অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরতে ৬১টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই সময়ে আদালতের আদেশে ৬৮ জনের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ২২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাতীয় সংসদ ভবনের প্লেনারি হলে স্থাপিত এসআইএস সিস্টেম পরিচালনা, মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে শতকোটি টাকা আত্মসাৎ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে দুদক। এ ঘটনায় কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটায় শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগেও জাহিদুর রহিমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে কমিশন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রশিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুদক।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে নোবিপ্রবিতে সেমিনার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10683/nobstu-social-media-seminar-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 21:58:45 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10683/nobstu-social-media-seminar-2026</guid>
		<description> নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার নিরাপত্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে ‘থিঙ্ক বিফোর ইউ ক্লিক: রেসপনসিবল সোশ্যাল মিডিয়া ইউজ অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, &quot;বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে এ প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের পাশাপাশি অপব্যবহারের প্রবণতাও লক্ষ করা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো, ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমানজনক মন্তব্য, ভুয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনা এবং সাইবার হয়রানির মতো ঘটনা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।&quot;

উপাচার্য আরও বলেন, &quot;আমরা এখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সকলেই একটি অভিন্ন পরিবারের অংশ। আমাদের প্রত্যেকেরই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রয়োজন। আমরা কোনো তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করার আগে তার সত্যতা যাচাই করব, সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করব এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। সচেতনতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে আমরা একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই।&quot;

আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।

সেমিনারে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- নোবিপ্রবি প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান, নোয়াখালীর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ড. মো. নুরুল হুদা ভূঁইয়া এবং নোবিপ্রবি শহিদ মুগ্ধ মেডিকেল সেন্টারের সাইকোলজিস্ট মো. আবু তারেক। আইকিউএসি&#039;র অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) ড. মো. শিবলুর রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন ব্যাচের শ্রেণি প্রতিনিধি (সিআর) এবং ক্যাম্পাস সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শিশুকে গল্প শোনালে মনোযোগ ধরে রাখার অভ্যাস গড়ে ওঠে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10682/storytelling-helps-children-develop-attention</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 21:44:30 +0600</pubDate>
		<category>জীবনযাপন</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10682/storytelling-helps-children-develop-attention</guid>
		<description> শিশুর মনোযোগ ধরে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে গল্প শোনানো হতে পারে একটি সহজ ও কার্যকর উপায়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;শিশুর মনোযোগ ধরে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে গল্প শোনানো হতে পারে একটি সহজ ও কার্যকর উপায়। গল্পের চরিত্র, ঘটনা ও পরিণতি জানার আগ্রহ শিশুকে মনোযোগ দিয়ে শুনতে উৎসাহিত করে। নিয়মিত গল্প শোনার সুযোগ পেলে শিশু ধীরে ধীরে কোনো বিষয় অনুসরণ করা এবং মনোযোগ ধরে রাখার অনুশীলন করতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;গল্প শোনার সময় শিশু বিভিন্ন চরিত্র, তাদের কাজ এবং ঘটনার ধারাবাহিকতা সম্পর্কে ধারণা পায়। কী ঘটবে, কেন ঘটবে কিংবা গল্পের শেষে কী হতে পারে—এমন প্রশ্ন তার কৌতূহল বাড়ায়। ফলে শোনার পাশাপাশি শিশুর চিন্তা করা, কল্পনা করা ও তথ্য মনে রাখার সুযোগ তৈরি হয়।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;শিশুর বয়স ও আগ্রহ অনুযায়ী গল্প নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। ছোট শিশুদের জন্য সহজ ভাষারলল গল্প উপযোগী হতে পারে। গল্পের দৈর্ঘ্যও শিশুর বয়স ও মনোযোগের সক্ষমতা অনুযায়ী রাখা ভালো।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;গল্প শোনানোর সময় অভিভাবকেরা মাঝেমধ্যে শিশুকে ছোট প্রশ্ন করতে পারেন। যেমন—গল্পে কী ঘটেছে, কোনো চরিত্র কেন এমন কাজ করেছে কিংবা এরপর কী হতে পারে। তবে প্রশ্নের মাধ্যমে শিশুর ওপর চাপ সৃষ্টি না করে গল্পটিকে আনন্দদায়ক রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুকে নিজের ভাষায় গল্পের অংশ বলতে উৎসাহিত করাও উপকারী হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কয়েক মিনিট গল্প শোনানোর অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে। এ সময় টেলিভিশন, মোবাইল বা অন্য কোনো মনোযোগ-বিভ্রান্তিকর বিষয় থেকে দূরে থাকা ভালো। অভিভাবক শিশুর সঙ্গে বসে গল্প পড়লে বা নিজের ভাষায় গল্প বললে তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও আবেগীয় বন্ধনও দৃঢ় হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;তবে শুধু গল্প শোনালেই শিশুর সব সমস্যা দূর হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। ঘুম, শারীরিক কার্যকলাপ, বয়সোপযোগী খেলা এবং শান্ত পরিবেশও শিশুর সামগ্রিক বিকাশে ভূমিকা রাখে। গল্প শোনানোকে তাই শিশুর মনোযোগ, ভাষা ও কল্পনাশক্তির চর্চায় সহায়ক একটি নিয়মিত অভ্যাস হিসেবে দেখা যেতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিএনপির আমলের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যোগ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10681/rohingya-crisis-diplomatic-initiative</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 21:43:26 +0600</pubDate>
		<category>সাক্ষাতকার</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10681/rohingya-crisis-diplomatic-initiative</guid>
		<description> রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অতীতের সফল অভিজ্ঞতার আলোকে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো ভূমিকা চাওয়া হয় </description>
		<content:encoded><![CDATA[রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে অতীতে বিএনপি সরকারের আমলে সফলভাবে প্রত্যাবাসনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে অনুসৃত বিস্তৃত কূটনৈতিক উদ্যোগ নতুন করে কার্যকর করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকারে থাকার সময় রোহিঙ্গাদের সফলভাবে প্রত্যাবাসনের ইতিহাস আমাদের রয়েছে।’ নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সম্পৃক্ততা আবারও অপরিহার্য হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

১৯৭৮ সালে মিয়ানমার থেকে প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গার বড় একটি ঢল প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জন্য বড় সংকট তৈরি করে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের নথি অনুযায়ী, তৎকালীন বার্মার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তির আওতায় ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে আসা প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গাকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাবাসন করা হয়েছিল।’

এরপর ১৯৯২ সালে আরও প্রায় আড়াই লাখ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটে। সে সময় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে প্রায় দুই লাখ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসন করা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতের এসব অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, মিয়ানমারের সঙ্গে ধারাবাহিক রাজনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক সম্পৃক্ততা থাকলে প্রত্যাবাসনে সাফল্য অর্জন সম্ভব।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া রোহিঙ্গাদের ব্যাপক অনুপ্রবেশের সময়ও বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ভূমিকা পালন করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ওই সময় চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থানরত খালেদা জিয়া সীমান্তের কাছে আটকে পড়া রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া এবং তাদের মানবিক আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানানো প্রথম সারির জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের একজন ছিলেন।

শামা ওবায়েদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের আসতে দিন, দেশে প্রবেশ করতে দিন’।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বড় ধরনের মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী এ সংকট এখন বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও নিরাপত্তার ওপর এবং বিশেষ করে আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর গুরুতর চাপ সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে এবং শিবিরগুলোতে তাদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। শিবিরগুলোতে প্রতিবছর ৩০ হাজারেরও বেশি শিশুর জন্ম হচ্ছে। ফলে সংকট ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার অর্থায়ন কমে আসছে। এতে খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আশ্রয় ও অন্যান্য জরুরি সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চাপ বাড়ছে বলে তিনি জানান।

এ পরিস্থিতিতে সংকটকে অনির্দিষ্টকাল ধরে মানবিক সহায়তার ব্যবস্থার মধ্যে আটকে না রেখে প্রত্যাবাসন শুরু করাই সরকারের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, ‘আমরা অন্তত প্রত্যাবাসন শুরু করতে চাই।’

জাতিসংঘের আরও জোরালো ভূমিকা চায় বাংলাদেশ

শামা বলেন, অতীতের সফল প্রত্যাবাসন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে পরবর্তী উদ্যোগগুলোর অন্যতম প্রধান পার্থক্য ছিল আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার মাত্রা।

তার মতে, আগের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াগুলোতে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অংশীদার তুলনামূলকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারকে নিয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ত্রিপক্ষীয় প্রক্রিয়া কাজ করেনি। এটি ব্যর্থ হয়েছে।’

আগের সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত সমঝোতা করলেও শেষ পর্যন্ত বড় পরিসরে কোনো সংগঠিত প্রত্যাবাসন হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, এ কারণে বর্তমান সরকার জাতিসংঘ, চীন, আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র এবং অন্যান্য প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক অংশীদারকে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, জাতিসংঘ এখন এ বিষয়ে আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত হবে।’

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ দেশটির কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে বলে তিনি জানান।

শামা বলেন, আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ এখনো কঠিন। তবে ঢাকা আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক—উভয় চ্যানেলেই যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের রূপরেখা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটকে সরকার সর্বোচ্চ পর্যায়ের বহুপক্ষীয় আলোচনায়ও গুরুত্ব দিয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংকট সমাধানে পাঁচটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে ছিল দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রণয়ন; বেসামরিক মানুষের ওপর সহিংসতা বন্ধ; পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা; ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি জোরদার করা এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো।

এর একদিন পর, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র স্থায়ী সমাধান হলো তাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর সমাধানও শেষ পর্যন্ত সেখানেই নিহিত।

নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গেও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আরও জোরালো ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। 

চীন, আসিয়ান ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ

শামা ওবায়েদ বলেন, মিয়ানমারের ওপর চীনের প্রভাব থাকায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে দেশটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনায় প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে বেইজিংয়ের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

বাংলাদেশ আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ জোরদার করছে। এর মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও ফিলিপাইন। এসব দেশের সঙ্গে মিয়ানমারের সম্পর্ক রয়েছে এবং সংকট সমাধানে তারা নিজেদের প্রভাব কাজে লাগাতে পারে বলে উল্লেখ করেন শামা ওবায়েদ।

তিনি বলেন, তুরস্কসহ অন্যান্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশও বাংলাদেশের কূটনৈতিক উদ্যোগে সহায়তার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাত এবং প্রতিদ্বন্দ্বী কর্তৃপক্ষের উপস্থিতির কারণে সংকটটি আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়ে উঠেছে বলে সতর্ক করেন শামা।

তিনি বলেন, ‘এটি অত্যন্ত কঠিন একটি সমস্যা। রাতারাতি এর সমাধান হবে না।’

প্রত্যাবাসনের যোগ্য রোহিঙ্গাদের যাচাই ও পরিচয় শনাক্তকরণের কাজ অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য বাংলাদেশ বারবার মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে সফল প্রত্যাবাসনের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষা এখনো প্রাসঙ্গিক বলে সরকার মনে করে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের পাশাপাশি জাতিসংঘের আরও জোরালো সম্পৃক্ততা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের চাপ অব্যাহত রাখবে।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘লক্ষ্য কেবল বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে তাদের ব্যবস্থাপনা চালিয়ে যাওয়া নয়। আমরা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চাই, যাতে বাস্তবেই প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়।’

সূত্র: বাসস]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শুল্ক-বাণিজ্য নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে ভারত যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10680/marco-rubio-india-visit-trade-tensions</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 21:36:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10680/marco-rubio-india-visit-trade-tensions</guid>
		<description> শুল্ক ও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে মতপার্থক্যের মধ্যে ১৭ অক্টোবর ভারত সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আলোচনায় থাকবে বাণিজ্য, জ্বালানি ও দ্বিপক্ষীয় </description>
		<content:encoded><![CDATA[আগামী শনিবার থেকে পাঁচ দিনের ভারত সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি থমকে যাওয়া, মার্কিন শুল্ক নীতি এবং রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যে টানাপোড়নের মধ্যেই এই উচ্চপর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি বৈঠক করবেন ভারতীয় কর্মকর্তা এবং শিল্পপতিদের সঙ্গে। আলোচনায় জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা, কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করা এবং বাণিজ্যিক বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে। খবর বিডিনিউজের।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সফরকালে রুবিও ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই এবং জ্বালানি খাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র জামনগর সফর করবেন। তার এই সফরে উজবেকিস্তানও রয়েছে। চলতি বছরে এটি তার দ্বিতীয় সরকারি ভারত সফর।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;ভারতে রুবিও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকের উদ্দেশ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র&amp;ndash;ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত করা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করা এবং জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানের হয়ে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, জার্মানিতে দু’জনের কারাদণ্ড </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10679/germany-jails-two-iran-linked-attack-plot</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 21:30:44 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10679/germany-jails-two-iran-linked-attack-plot</guid>
		<description> ইরানের হয়ে জার্মানিতে হামলার পরিকল্পনার দায়ে দুই ব্যক্তিকে সাড়ে আট ও সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে হামবুর্গের আদালত। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু ছিলেন ইহুদি ও ইসরায়েল </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইসরায়েলপন্থী ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করার দায়ে দুই ব্যক্তিকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দিয়েছেন জার্মানির একটি আদালত।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থার নির্দেশে তারা জার্মানিতে এসব হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;দণ্ডপ্রাপ্ত দু&amp;rsquo;জনের একজন ডেনমার্কের নাগরিক আলী এস। তাকে আট বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার সহযোগী আফগানিস্তানের এক নাগরিককে চার বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গুপ্তচরবৃত্তি ও হত্যাচেষ্টার দায়ে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;জার্মানির কৌঁসুলিদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডেনমার্কের নাগরিক আলী এস ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের নির্দেশে কাজ করতেন। তবে হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা এবং ষড়যন্ত্রের বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইরানের কথিত গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এ রায় এল। ইউরোপের একাধিক দেশ অভিযোগ করেছে, তাদের ভূখণ্ডে বিভিন্ন হামলার পরিকল্পনার পেছনে তেহরানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে ইরান অতীতেও এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;এর আগে চলতি মাসেই যুক্তরাজ্যে দুই ইরানি নাগরিকের বিরুদ্ধে উত্তর ইংল্যান্ডের ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়। ওই ঘটনাও ইউরোপে ইহুদি সম্প্রদায় ও ইসরায়েলপন্থী ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;জার্মানির এ রায় এমন এক সময়ে এল, যখন ইউরোপীয় দেশগুলো ইরানের কথিত গোয়েন্দা তৎপরতা ও সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং তেহরানের অস্বীকৃতি- দুই বিষয়ই কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হোয়াটসঅ্যাপে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও ছবি ডাউনলোড বন্ধ করবেন যেভাবে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10678/stop-whatsapp-auto-download-files</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 21:27:48 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10678/stop-whatsapp-auto-download-files</guid>
		<description> হোয়াটসঅ্যাপে অপ্রয়োজনীয় ছবি, ভিডিও ও ফাইলের অটো-ডাউনলোড বন্ধ করার নিয়ম জানুন। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনে সেটিংস পরিবর্তন করে ডেটা ও স্টোরেজ বাঁচান। </description>
		<content:encoded><![CDATA[হোয়াটসঅ্যাপে প্রতিদিন অসংখ্য ছবি, ভিডিও, অডিও ও বিভিন্ন ফাইল এসে জমা হয়। ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত থাকলে অপ্রয়োজনীয় মিডিয়া ফাইলের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। অনেক সময় ব্যবহারকারীর অলক্ষ্যেই এসব ফাইল ফোনের স্টোরেজ দখল করে নেয় এবং অতিরিক্ত মোবাইল ডেটাও খরচ করে।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;তবে হোয়াটসঅ্যাপের অভ্যন্তরীণ কয়েকটি সেটিংস পরিবর্তন করে সহজেই অপ্রয়োজনীয় ফাইলের স্বয়ংক্রিয় বা অটো-ডাউনলোড বন্ধ করা সম্ভব।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;স্বয়ংক্রিয় মিডিয়া ডাউনলোড বন্ধ করার সহজ উপায়&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;১. সেটিংসে যান: প্রথমে স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে ওপরে ডান কোণে থাকা &amp;lsquo;থ্রি ডট&amp;rsquo; থেকে Settings-এ প্রবেশ করুন। আইফোনের ক্ষেত্রে নিচের Settings ট্যাবে ট্যাপ করুন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;২. স্টোরেজ সেটিংস: তালিকায় থাকা Storage and Data অপশনটি নির্বাচন করুন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;৩. অটো-ডাউনলোড পরিবর্তন: সেখানে Media auto-download অংশে ছবি, ভিডিও, অডিও ও ডকুমেন্টের জন্য আলাদা সেটিংস দেখতে পাবেন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;৪. মোবাইল ডেটা নিয়ন্ত্রণ: When using mobile data অপশনে ট্যাপ করে যে ফাইলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড করতে চান না, সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিন। সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ডাউনলোড বন্ধ করতে সব অপশন অনির্বাচিত করে OK দিন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;৫. ওয়াই-ফাই সেটিংস: একইভাবে When connected on Wi-Fi অপশনে গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন আনুন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;পরামর্শ: মোবাইল ডেটা বাঁচাতে চাইলে শুধু When using mobile data অপশনের অটো-ডাউনলোড বন্ধ রেখে ওয়াই-ফাইয়ের সুবিধা চালু রাখা যেতে পারে। কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী ভিডিওর অটো-ডাউনলোড বন্ধ রেখে শুধু ডকুমেন্ট ডাউনলোডের অনুমতি দেওয়া সম্ভব।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;গ্যালারিতে ছবি জমা হওয়া বন্ধ করার পদ্ধতি&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;হোয়াটসঅ্যাপে ফাইল ডাউনলোড হলেও তা যাতে ফোনের মূল ফটো গ্যালারিতে জমা না হয়, সে জন্য এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন:&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;নির্দিষ্ট চ্যাটের ক্ষেত্রে: নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা গ্রুপের চ্যাট অপশন খুলে ওপরে থাকা প্রফাইল নামের ওপর ট্যাপ করুন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;মিডিয়া ভিজিবিলিটি: সেখানে Media visibility অপশনটি নির্বাচন করে No করে দিন (আইফোনের ক্ষেত্রে এটি Save to Photos নামেই পাওয়া যাবে)।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;এই সেটিংস পরিবর্তনের পর হোয়াটসঅ্যাপে কোনো ফাইল এলে তাতে ম্যানুয়ালি ট্যাপ না করা পর্যন্ত তা ডাউনলোড হবে না। ফলে ফোনের স্টোরেজ ফাঁকা থাকবে এবং ডেটার অপচয় রোধ হবে।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10677/rooppur-nuclear-power-plant-electricity-by-november</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 16:06:27 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10677/rooppur-nuclear-power-plant-electricity-by-november</guid>
		<description> আগামী নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী </description>
		<content:encoded><![CDATA[আগামী নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তিনি এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, আগামী নভেম্বরের মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম রিঅ্যাক্টর থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি আগামী বছরের জুনের দিকে দ্বিতীয় রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ১২০০ মেগাওয়াটের এই মেগা প্রজেক্টটি রাশিয়ার রোসাটম কোম্পানির ফ্ল্যাগশিপ প্রজেক্ট হওয়ায় তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে এবং তিন মাস আগে পাঠানো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে দিন-রাত কাজ চলছে।

এসময় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নগদ নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে নগদ বিক্রি করার কোনো পরিকল্পনা বা চিন্তা নেই। নগদ প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। ভবিষ্যতে এটিকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করা হবে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে পদ ছাড়ার আহ্বান জানালেন ইলন মাস্ক </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10676/elon-musk-calls-for-zelenskys-resignation</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 16:02:48 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10676/elon-musk-calls-for-zelenskys-resignation</guid>
		<description> ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পদ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন ধনকুবের ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন সমর্থনে স </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে পদ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন ধনকুবের ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক । বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘হত্যাযজ্ঞ তো চলছেই। জেলেনস্কির বিদায় নেওয়ার সময় হয়েছে।’

ইউক্রেনের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে কিয়েভের মধ্যে যখন নতুন করে সংশয় তৈরি হয়েছে, তখনই এমন মন্তব্য করলেন মাস্ক। 

ইউক্রেনের অভিযোগ, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে আগাম সতর্কবার্তা না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মস্কোকে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে। পাশাপাশি, মাস্কের স্যাটেলাইট যোগাযোগব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে ইউক্রেনের সামরিক প্রতিরোধক্ষমতাও দুর্বল করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

ইউক্রেনের সামরিক যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক। তবে ইউক্রেনের দাবি, সম্প্রতি এ সেবার গতি সীমিত করায় তাদের সামরিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে।

এ পরিস্থিতিতে জেলেনস্কি মাস্কের প্রতি স্টারলিংক সেবা পুনরায় স্বাভাবিক করার আহ্বান জানান।

জবাবে মাস্ক বলেন, এ ধরনের বিধিনিষেধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার দায়ী।

তিনি স্টারলিংক ও স্টারশিল্ডের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত স্টারশিল্ড যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে, স্টারলিংক একটি বেসামরিক স্যাটেলাইট সেবা, যা ইউক্রেন ব্যবহার করলেও আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে ব্যবহারের অনুমতি নেই।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল সরবরাহসংক্রান্ত একটি চুক্তির ঘোষণা দেন। রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এমন চুক্তির ঘোষণার পর জেলেনস্কিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের আচরণে তিনি বিশ্বাসভঙ্গের শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন কি না।

জবাবে তিনি ইতিবাচক উত্তর দেন।

এদিকে, কিয়েভের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের তথ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি সম্প্রতি ইউক্রেনকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব তথ্য ব্যবহার করে ইউক্রেন রুশ হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করে।

তবে ট্রাম্প এ ধরনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানে ‘মাদার অব অল বোম্বস’ ব্যবহারের পরিকল্পনা মার্কিন বাহিনীর </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10675/us-military-plans-to-use-mother-of-all-bombs-in-iran</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 15:58:25 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10675/us-military-plans-to-use-mother-of-all-bombs-in-iran</guid>
		<description> ইরানে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম অ-পারমাণবিক বোমা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ বা ‘মব’ ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সিএনএন এ তথ্য নিশ্চিত কর </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইরানে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হামলায় জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট বোমা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন বাহিনী। বিশাল আকৃতির এই বোমাটি ‘মাদার অব অল বোম্বস’ বা ‘মব’ নামই বেশি পরিচিত।

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে সিএনএন নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি ইরানে ফের হামলার নির্দেশ দেন— তাহলে এই বোমা ব্যবহার করবে মার্কিন বাহিনী।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষে ফের ইরানে হামলা শুরু করতে পারে মার্কিন বাহিনী।

‘মাদার অব অল বোম্বস’ বা ‘সব বোমার মা’ হলো হলো বিশ্বের বৃহত্তম অ-পারমাণবিক বোমা। মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে এটি ‘বিশেষ সম্পদ’। এই বোমার সম্ভাব্য ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনাকে উল্লেখযোগ্যমাত্রায় বাড়িয়ে তুলতে পারে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ইস্যুর বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠক করেছেন।

একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী যখন কোনো পরিকল্পনা তৈরি করে—তারা নীতিনির্ধারকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিকল্প প্রস্তুত রাখে—যার মধ্যে সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত থাকে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, “মাটির অনেক গভীরে থাকা লক্ষ্যবস্তুগুলোর জন্য বড় বোমার প্রয়োজন হয়, আর ‘মাদার অফ অল বম্বস’ হলো সবচেয়ে বড় বোমা।”

সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ অন্যান্য স্থাপনার বিরুদ্ধে ‘মাদার অফ অল বম্বস’ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে খোদ মার্কিন বাহিনীতে। সামরিক পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের একজন সিএনএন-কে বলেছেন, ওয়াশিংটনের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে এই বোমাটি কতটা কার্যকর হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিপিএস-নির্দেশিত এই বোমাটি নয়টি সিটি ব্লকের সমান এলাকা ধ্বংস করতে সক্ষম হলেও, এটি সম্ভবত পিকাক্স পর্বতের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো ধ্বংস করতে সক্ষম নয়। ধারণা করা হয়, এই স্থাপনাগুলো গ্রানাইট পাথরের পুরু স্তরে সুরক্ষিত। এছাড়া ইরানের অন্যান্য পারমাণবিক স্থাপনার ক্ষেত্রেও এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

তবে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প হয়তো ‘মাদার অফ অল বম্বস’-কে একটি মনস্তাত্ত্বিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

সূত্র : আল আরাবিয়া]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ই-পার্লামেন্ট প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে কমিটি গঠন </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10674/e-parliament-project-review-committee-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 15:53:48 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10674/e-parliament-project-review-committee-bangladesh</guid>
		<description> ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্পের প্রস্তাব পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জাতীয় সংসদ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জাতীয় সংসদের কার্যক্রম আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ই-পার্লামেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১০ সদস্যের প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে সভাপতি করে গঠিত এ কমিটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রণীত &amp;lsquo;ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্পের&amp;rsquo; প্রস্তাব পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম তদারক করবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সার্বিক নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটিটি গঠন করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মীর আহমাদ বিনকাসেম, সাঈদ আল নোমান, হুমাম কাদের চৌধুরী, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, আখতার হোসেন, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও আন্না মিন্জ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মহাপরিচালক (বিঅ্যান্ডআইটি) কমিটির সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে ইউএনডিপির প্রণীত &amp;lsquo;ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্পের&amp;rsquo; উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) বিস্তারিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়া। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ গড়ে তুলতে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মক্কায় মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10673/two-bangladeshis-executed-in-makkah-for-immoral-acts-in-mosque</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 15:50:51 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামী বিশ্ব</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10673/two-bangladeshis-executed-in-makkah-for-immoral-acts-in-mosque</guid>
		<description> সৌদি আরবের মক্কায় একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজ ও পবিত্রতা লঙ্ঘনের দায়ে নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার নামের দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ক </description>
		<content:encoded><![CDATA[সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় একটি মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজ’ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দেশটির মক্কা অঞ্চলে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কাজ করার অভিযোগে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে মামলাটি সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধের গুরুতরতা এবং সময় ও স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাদের বিবেচনামূলক শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ রায় বহাল রাখে। এরপর দণ্ড কার্যকরের জন্য রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।

মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৬ সালের ১৪ অক্টোবর বুধবার মক্কা অঞ্চলে নাজেরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন কিংবা এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামি আইন প্রয়োগে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়, ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপরাধের চেষ্টা করলে তাকেও আইনি পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

সূত্র- আজেল]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তরুণদের এগিয়ে নিতে শিক্ষায় জোর দিচ্ছে সরকার: এ্যানি </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10672/annie-education-priority-strengthen-young-generation</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 15:47:10 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10672/annie-education-priority-strengthen-young-generation</guid>
		<description> তরুণ প্রজন্মকে শক্তিশালী করা ও তাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা বাড়াতে সরকার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার সকালে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ মাঠে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষার প্রসারে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে এ্যানি বলেন, তাঁর সময়ে লক্ষ্মীপুরের কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারীকরণের আওতায় এসেছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও শিক্ষার বিস্তার, অবৈতনিক শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ্যানি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া বর্তমানে বেঁচে না থাকলেও তাঁদের সন্তান তারেক রহমান শিক্ষার উন্নয়ন এবং নতুন প্রজন্মকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জুলাই আন্দোলনের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনে অনেকে জীবন দিয়েছেন এবং অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। এসব পরিবারের প্রতি শুধু সমবেদনা জানানোই যথেষ্ট নয়; তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর উপায় খুঁজে বের করাও জরুরি। এ বিষয়ে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইউসুফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান ও পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. হাছিবুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক মো. শহিদ উল্লা মজুমদার এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিওএর নির্বাহী কমিটি থেকে ছয়জনের পদত্যাগ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10671/boa-executive-committee-resignations</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 13:25:39 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10671/boa-executive-committee-resignations</guid>
		<description> বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ৩৭ সদস্যের নির্বাহী কমিটি থেকে দুই দিনে ছয়জন পদত্যাগ করেছেন। চলতি মাসে বৈঠকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) ৩৭ সদস্যের নির্বাহী কমিটি থেকে দুই দিনে পদত্যাগ করেছেন ছয়জন। মঙ্গলবার তিনজনের পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) আরও তিনজন পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের এই ধারাবাহিকতায় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার আরও কয়েকজন পদত্যাগ করতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা জানিয়েছেন, হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং রোয়িং ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলমের পদত্যাগপত্র তাঁর হাতে পৌঁছেছে। এ ছাড়া বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস খান বিওএর উপমহাসচিবের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। পদত্যাগকারীরা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এ পর্যন্ত বিওএর নির্বাহী কমিটি থেকে পদত্যাগ করা ছয়জনের মধ্যে চারজন সদস্য, একজন সহসভাপতি ও একজন উপমহাসচিব রয়েছেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এ বিষয়ে মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, পদত্যাগ করা প্রত্যেকের সিদ্ধান্তই ব্যক্তিগত এবং এটি তাঁদের অধিকার। জমা পড়া পদত্যাগপত্রগুলো নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;চলতি মাসেই বিওএর নির্বাহী কমিটির বৈঠক হতে পারে। ওই সভায় পদত্যাগপত্র এবং পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের পদকপ্রাপ্তি ও পারফরম্যান্স নিয়ে যখন ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা চলছে, তখন বিওএর নির্বাহী কমিটি থেকে একের পর এক পদত্যাগের ঘটনা সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10670/imf-loan-conditions-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 13:14:13 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10670/imf-loan-conditions-bangladesh</guid>
		<description> আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিতে শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শর্ত ও সংস্কার নিয়ে আলোচনা চলছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে নতুন ঋণ সহায়তা নিতে হলে সংস্থাটির নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, নতুন কর্মসূচি নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তবে ঋণের শর্ত ও সেগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আরও আলোচনা হবে এবং কিছু বিষয়ে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ব্যাংককে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের শর্ত থাকবে এবং সেগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। কিছু বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধানে পৌঁছানো হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তিনি জানান, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত, কর ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাত, ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এসব বিষয়ে বাংলাদেশেরও সম্মতি আছে। ইতোমধ্যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে, বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সংস্কার কার্যক্রমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আইএমএফের প্রশ্ন রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব বিষয়ে বাংলাদেশেরও নিজস্ব পর্যবেক্ষণ রয়েছে। ব্যাংকিং খাত ও কর-জিডিপি অনুপাত নিয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে বাংলাদেশ একমত এবং ইতোমধ্যে বেশ কিছু বিষয় পূরণ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে আইএমএফ সন্তোষ প্রকাশ করেছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বাজেট-পরবর্তী অগ্রগতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে সংস্থাটি সন্তুষ্টি জানিয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আইএমএফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য বহুপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগীর সঙ্গেও অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ। দেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এসব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চার বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10669/rain-thunderstorm-forecast-four-divisions-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 12:35:34 +0600</pubDate>
		<category>আবহাওয়া</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10669/rain-thunderstorm-forecast-four-divisions-bangladesh</guid>
		<description> দেশের বিভিন্ন বিভাগে আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সপ্তাহের শেষে বৃষ্টিপাত কমতে পারে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের চার বিভাগে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (১৭ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাঁচ দিনের পূর্বাভাসের পরবর্তী সময়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আমু-ফারুকসহ সাবেক মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র ‘প্রায় প্রস্তুত’ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10668/ami-hossain-amu-faruk-khan-formal-charges-nearly-ready</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 12:33:34 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10668/ami-hossain-amu-faruk-khan-formal-charges-nearly-ready</guid>
		<description> জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আমু, ফারুক খানসহ সাবেক ছয় মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র প্রায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ছয় মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র প্রায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। চিফ প্রসিকিউটরের অনুমোদন পেলেই এসব অভিযোগপত্র আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে, তাঁরা হলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসিকিউটর তামীম জানান, তাঁদের প্রত্যেকের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র প্রায় প্রস্তুত। চিফ প্রসিকিউটর অনুমোদন দিলেই তা ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আইন সংশোধন ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্য&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় বিচার পরিচালনার স্বার্থে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের বিষয়ে তামীম বলেন, ১৯৭৩ সালের আইনের ৩(১) ধারায় মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের বিধান রয়েছে। ২০০৯ সালে আইন সংশোধন করে বেসামরিক ব্যক্তিদেরও বিচারের আওতায় আনার সুযোগ তৈরি করা হয়। পরে ২০২৪ সালের নভেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক আইনের আধুনিক সংজ্ঞা ও বিধান যুক্ত করে আইনটি আরও সংশোধন করে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রসিকিউশনের দাবি, এসব সংশোধনের ফলে বিচারপ্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং আসামিপক্ষও এর সুবিধা পাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই আন্দোলন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে কিছু অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের আইনের আওতাভুক্ত নয়, এমন অভিযোগও নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে তদন্ত চলছে&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের উদ্যোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রসিকিউটর তামীম বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে কোনো রাজনৈতিক দলের এভাবে বিচার হয়নি। দলটির কার্যক্রম থাকা বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও অন্যান্য স্থানের তথ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে বলে তদন্তে সময় লাগবে। তবে তদন্ত শেষ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনই বলা সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মানবতাবিরোধী অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আদালতে বিচার চলার বিষয়ে তামীম বলেন, প্রচলিত ফৌজদারি অপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ পৃথক বিষয়। আইন অনুযায়ী, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুই ধরনের বিচার সমান্তরালে চলতে কোনো বাধা নেই।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের নিট মুনাফা বেড়েছে ৯ শতাংশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10667/dbh-finance-net-profit-rises-9-percent-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 12:31:28 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10667/dbh-finance-net-profit-rises-9-percent-2026</guid>
		<description> ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের নিট মুনাফা ৯ শতাংশ বেড়ে ৮০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা হয়েছে। বেড়েছে শেয়ারপ্রতি আয় ও নিট সম্পদমূল্যও। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ৯ শতাংশ বেড়ে ৮০ কোটি ৭৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির নিট মুনাফা ছিল ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। প্রতিকূল বাজার পরিস্থিতির মধ্যেও মুনাফা ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারা ধরে রেখেছে আবাসন অর্থায়ন খাতের প্রতিষ্ঠানটি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসের প্রকাশিত আর্থিক ফলাফল অনুযায়ী, এ সময়ে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে ৩ টাকা ৯৮ পয়সা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৬৭ পয়সা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫২ টাকা ৩ পয়সা। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর এ সম্পদমূল্য ছিল ৪৯ টাকা ৫৫ পয়সা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আর্থিক ফলাফল সম্পর্কে ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল বাতেন বলেন, ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসের ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বিচক্ষণ ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বাজারের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি আরও বেশি মানুষের বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি গত তিন দশক ধরে দেশে গৃহঋণ ও আবাসন অর্থায়ন সেবা দিয়ে আসছে। প্রচলিত অর্থায়নের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির ইসলামিক ফাইন্যান্স উইংয়ের মাধ্যমেও আবাসন অর্থায়নের সুবিধা দেওয়া হয়। এ ছাড়া মেয়াদি আমানত ও মুদারাবা আমানতসহ বিভিন্ন ধরনের আমানত সেবা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৯টি শাখার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের দাবি, টানা ২১ বছর ধরে তারা সর্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং &amp;lsquo;এএএ&amp;rsquo; ধরে রেখেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে খেলাপি ঋণের হারও ১ শতাংশের নিচে রাখতে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদি আরবে মার্কিন কর্মীদের চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10666/saudi-arabia-us-staff-travel-restrictions</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 11:51:30 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামী বিশ্ব</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10666/saudi-arabia-us-staff-travel-restrictions</guid>
		<description> সৌদি আরবে বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর মার্কিন সরকারি কর্মীদের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;সৌদি আরবে বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন সরকারি কর্মীদের চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। একই সঙ্গে সৌদি আরবে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বুধবার (১৪ অক্টোবর) জারি করা এক নিরাপত্তা সতর্কতায় দূতাবাস জানায়, সৌদি আরবের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করতে হলে মার্কিন সরকারি কর্মীদের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। দেশটির চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নিরাপত্তা সতর্কতায় সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকি, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের বিমানবন্দরে যাতায়াতের সময় আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া সৌদি আরব ও ইয়েমেন সীমান্তের ৩২ কিলোমিটারের মধ্যে মার্কিন সরকারি কর্মীদের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের আরও কয়েকটি এলাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বিশেষ অনুমতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে এ সতর্কতা জারি করা হলো। বিমানবন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় মার্কিন সরকারি কর্মীদের চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি দেশটিতে থাকা মার্কিন নাগরিকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজ প্রণালিতে হামলার পরও কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10665/oil-prices-fall-hormuz-strait-attacks</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 11:46:18 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10665/oil-prices-fall-hormuz-strait-attacks</guid>
		<description> হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে বিশ্ববাজারে কমেছে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;
&lt;p&gt;মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার ঘটনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার ৩৯ সেন্ট কমে ১০৪ ডলার ৬৭ সেন্টে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪ ডলার ৭ সেন্টে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগের দিন সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোতে হামলার ঘটনার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে এক দিনের ব্যবধানেই বৃহস্পতিবার সকালে আবারও দরপতন দেখা যায়। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বারবার ওঠানামা করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি এলাকায় হামলার শিকার হয়ে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ ও একটি পণ্যবাহী জাহাজ ডুবে গেছে। এসব ঘটনার পর গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, গত ১০ দিনে হরমুজ প্রণালির আশপাশে জাহাজে হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইরানের দাবি, দেশটির বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং গত মাসে আরোপ করা কঠোর নিষেধাজ্ঞার জবাবে তারা হামলা জোরদার করছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলে নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় এবং তেলের দামে তার প্রভাব পড়ে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে অন্যদিকে, জাহাজে তেল পরিবহনের ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিলের উদ্যোগ বাজারে তেলের দামের ওপর নিম্নমুখী চাপ তৈরি করেছে। একদিকে সংঘাত ও জাহাজে হামলার কারণে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সম্ভাবনা&amp;mdash;এই দুই বিপরীতমুখী পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্থির রয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;h2&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/h2&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শরয়ী মসজিদ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় যেসব মাসআলা জানা জরুরি </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10664/important-ruleson-mosque-management-and-waqf</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 11:21:46 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10664/important-ruleson-mosque-management-and-waqf</guid>
		<description> মসজিদের নির্দিষ্ট জায়গা শুধুমাত্র মসজিদের জন্য স্পষ্টভাবে ওয়াকফকৃত হতে হবে </description>
		<content:encoded><![CDATA[সংগৃহীত : হানাফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে&lt;br&gt;
 মাওলানা জুবায়ের হাসান
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;মাসআলা ১.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
মসজিদের নির্দিষ্ট জায়গা শুধুমাত্র মসজিদের জন্য স্পষ্টভাবে ওয়াকফকৃত হতে হবে। যদি জমিন না হয়ে কোন ফ্ল্যাট বা ফ্লোর মসজিদের জন্য ওয়াকফ করা হয় তাতেও শরয়ী মসজিদের হুকুম সাব্যস্ত হয়ে যাবে। কোনো জমিন যদি মসজিদের নামে ওয়াকফকৃত হয়ে যায়, এবং সেখানে নামায আদায় শুরু হয়ে যায়, অর্থাৎ মসজিদের জন্য ওয়াকফকৃত জায়গায় নিচতলা থেকে মসজিদ প্রতিষ্ঠা করা হলে ঐ স্থানের উপর-নিচ পুরোটা মসজিদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। উক্ত অবস্থায় যমিন থেকে আসমান পর্যন্ত সম্পূর্ণটা মসজিদ। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে নিচ তলায় দোকানপাট, টয়লেট, অযুখানা, গাড়ীর গ্যারেজ ইত্যাদি ও দোতলায় মসজিদ অথবা নিচতলায় মসজিদ ও দোতলায় ইমাম, মুআজ্জিনের থাকার রুম তৈরি করা কোনোটাই জায়েয হবে না। -আল মুহীতুল বুরহানী ৯/১২৮, ১৩৭; আলবাহরুর রায়েক ৫/২৫১; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৩; রদ্দুল মুহতার ৪/৩৫৮
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
উল্লেখ্য, সরকারী বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহে কর্তৃপক্ষ যদি মৌখিকভাবে কোনো স্থানকে নামায আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়, এবং সেখানে নামায আদায় শুরু হয়ে যায়, তাহলে সেখানেও শরয়ী মসজিদের হুকুম সাব্যস্ত হয়ে যাবে।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ২.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;যে জায়গায় একবার শরয়ী মসজিদ স্থাপন হয় সেই জায়গা কেয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য মসজিদ হয়ে যায়, উক্ত মসজিদ স্থানান্তরিত করা জায়েয নেই, এবং কোনোক্রমেই উক্ত জায়গা মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা বৈধ হবে না।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৩.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;মসজিদ একটি ওয়াকফ সম্পত্তি, আর ওয়াকফ সম্পত্তির মালিকানা মানুষের কাছে থাকেনা বরং তার মালিকানা আল্লাহর কাছে চলে যায়, সুতরাং যিনি মসজিদ দেখাশুনার দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। (যেমনঃ- মুতাওয়াল্লি, সভাপতি) তার জন্য উচিত ওয়াকফকৃত সম্পত্তি ব্যবহারের পরিপূর্ণ মাসআলা জেনে নেওয়া, অন্যথায় আল্লাহ তায়ালার কাছে এর জবাবদিহি করতে হবে।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৪.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;মসজিদ কিংবা যে কোনো দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সদস্যদের জন্য শরীয়তের অনুসারী, দ্বীনদার, আমানতদার, সৎ ও খোদাভিরু হওয়া আবশ্যক। সুতরাং প্রকাশ্যে গুনাহে লিপ্ত, খেয়ানতকারী ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে মসজিদ কমিটি গঠন করা একেবারেই অনুচিত। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪০৮
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৫.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;মসজিদ সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত ফায়সালা প্রদানের ক্ষমতার অধিকারী মুতাওয়াল্লি বা সভাপতি। যোগ্যতার ভিত্তিতে যিনি মুতাওয়াল্লি বা সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি উপস্থিত কমিটির সকল সদস্যের পরামর্শক্রমে প্রতিষ্ঠানের জন্য যেটা অধিক কল্যাণকর মনে করেন, সে অনুপাতে ফায়সালা প্রদান করবেন।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৬.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;ইমাম সাহেবকে অধীন মনে করা যাবে না। তাকে কর্মচারী মনে করে তার সাথে নিজেদের কর্মচারীর ন্যায় আচরণ করা জায়েয নয়। কারণ, তিনি হুযুর (সা.) এর ওয়ারিস। তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করা ঈমানের অঙ্গ। শরয়ী কোনো কারণ ব্যতীত তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করা ঈমানের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। -ফাতাওয়া মাহমুদিয়া ২/৪৫২
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৭.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত মসজিদে দায়িত্বরত ব্যক্তিবর্গের জন্য দায়িত্ব অবহেলা করা জায়েয হবে না। এ ক্ষেত্রে যে পরিমাণ দায়িত্ব অবহেলা করা হয়েছে, সে পরিমাণ বেতন মূল বেতন থেকে কর্তন করে কর্তৃপক্ষকে ফেরত দিতে হবে, তা গ্রহণ করা না জায়েয। (উদাহরণস্বরূপ মসজিদের ইমামের দায়িত্ব হলো, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের ইমামতি করা, এখন যদি কোনো ইমাম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত দৈনিক চার ওয়াক্ত নামাযের ইমামতি করে ও এক ওয়াক্ত বাদ দেয়, তাহলে তার বেতনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ তার জন্য গ্রহণ করা হারাম। উক্ত এক ভাগ কর্তৃপক্ষকে ফেরত দেওয়া আবশ্যক।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
অনুরূপভাবে মসজিদের খাদেমের দায়িত্ব হলো, দৈনিক দুই বার মসজিদ ঝাড়ু দেওয়া, এখন যদি কোনো খাদেম কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত দৈনিক এক বার ঝাড়ু দেয়, দ্বিতীয়বার না দেয়, তাহলে তার জন্য পূর্ণ বেতন গ্রহণ করা নাজায়েয।) -ফাতাওয়া উসমানী ২/৩৪৫।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৮.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;মসজিদের যেকোনো ক্ষয়-ক্ষতি, বিশৃঙ্খলা ও মসজিদের বে-হুরমতি সবকিছুর দায়ভার যিনি মসজিদের ওয়াকফ সম্পত্তির দায়িত্ব নিয়েছেন তার ওপর বর্তাবে, অর্থাৎ মুতাওয়াল্লি/সভাপতি। সুতরাং মসজিদের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যেন তাদের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করতে পারে, এ ব্যাপারে মুতাওয়াল্লি/সভাপতিকে তৎপর হতে হবে। -আহকামে মাসাজিদ, মুফতি আব্দুর রহমান।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ৯.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;মসজিদের কোনো কাজে হারাম মাল ব্যবহার করা নাজায়েয। যদি জানা যায় যে, মসজিদের কাজে হারাম মাল ব্যবহার হয়েছে, তাহলে তাৎক্ষণিক মসজিদ কমিটি তার ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিবে। অর্থাৎ হারাম সম্পদ’ দাতাকে ফিরিয়ে দিবে।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ১০.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;ওয়াকফকৃত জমিনে মসজিদ স্থাপন হয়ে গেলে সেই মসজিদে স্থায়ীভাবে মাদরাসা স্থাপন করা জায়েয নেই। যেমন, কোনো কোনো মসজিদে এমন হয়ে থাকে যে, নিচতলা মসজিদ ও দোতলা মাদরাসা এমনটি জায়েয নেই। মূলত দ্বীনি শিক্ষা অর্জনের জন্য মাদরাসা স্থাপন করা এলাকাবাসীদের নৈতিক দায়িত্ব, সুতরাং মাদরাসার জন্য পৃথক জায়গা নিয়ে সেখানে দ্বীনি মাদরাসা স্থাপন করা চাই। মাদ্রাসা যেহেতু মসজিদেরই অঙ্গ প্রতিষ্ঠান, সেই হিসেবে ফুকাহায়ে কেরাম ৩টি শর্তের সাথে মসজিদে অস্থায়ী মাদরাসা চালু করার অনুমতি দিয়েছেন।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;(ক)&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;স্বতন্ত্র মাদরাসা স্থাপন করা চাই, মাদরাসা স্থাপনের আগ পর্যন্ত মসজিদে অস্থায়ীভাবে বাচ্চাদের দ্বীনি তালিম দেওয়া যেতে পারে। এবং মসজিদে বাচ্চাদের আবাসিক থাকা কোনোক্রমেই জায়েয হবে না।

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;(খ)&lt;/strong&gt;&lt;br&gt; যেসব বাচ্চারা লেখাপড়া করবে তারা হুঁশিয়ার ও বুঝমান হতে হবে, এবং মসজিদের আদবের প্রতি পুরোপুরি লক্ষ্য রাখে এমন হতে হবে।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;(গ)&lt;/strong&gt;&lt;br&gt; ওস্তাদগণ শিক্ষাদানের সময় ই&#039;তিকাফের নিয়ত করে নিবে। -ফাতাওয়া উসমানী ২/৫২৪
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
&lt;strong&gt;মাসআলা ১১.&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;যে মসজিদে নিয়োগপ্রাপ্ত ইমাম-মুআজ্জিন আছে এবং জামাতের সময় নির্ধারিত আছে, সেই মসজিদে দ্বিতীয় জামাত করা মাকরূহে তাহরীমি অর্থাৎ নাজায়েয। এমনকি তারাবীর নামাযেরও দ্বিতীয় জামাত করা মাকরূহ, যদিও মুসল্লা (তথা ইমামের দাঁড়ানোর স্থান) ভিন্ন হয়। সুতরাং ঢালাওভাবে মসজিদে দ্বিতীয় জামাত করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। তবে যদি কোনো ব্যক্তি মূল জামাতে শরীক হওয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে এসে দেখে যে, জামাত শেষ হয়ে গেছে, এবং তার মতো অনুরূপ দুই/তিন জন মুসল্লিও যদি পাওয়া যায়, তাহলে ডাকাডাকি ও আয়োজন ব্যতীত ২/৩ জন মিলে আলাদা জামাত করার অবকাশ আছে। তবে এক্ষেত্রে একামত দিবে না। -দরসে তিরমিযী ২/১৩৫
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
প্রকাশ থাকে যে, যদি কোনো মসজিদের পার্শ্বে দ্বিতীয় জামাতের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণ করা থাকে তাহলে সেখানে ওজর বশঃত দ্বিতীয় জামাত কায়েম করার অনুমতি আছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ড্রেসিং টেবিল গুছিয়ে রাখতে পারেন একটি ছোট স্টোরেজ ঝুড়ির সাহায্যে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10663/organize-dressing-table-items-with-small-basket</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 11:09:26 +0600</pubDate>
		<category>জীবনযাপন</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10663/organize-dressing-table-items-with-small-basket</guid>
		<description> অল্প জায়গায় ছোট একটি ঝুড়ি ব্যবহার করে ড্রেসিং টেবিলের ছোটখাটো জিনিসগুলো একত্রে রাখা যায়। ঘর গোছানোর জন্য বড় কোনো পরিবর্তন না করেও দৈনন্দিন কাজ সহজ করা যায়। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;
&lt;p&gt;ড্রেসিং টেবিলে চিরুনি, হেয়ার ক্লিপ, হেয়ার ব্যান্ড, নেইল কাটারসহ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ছোটখাটো জিনিস রাখা হয়। ব্যবহার শেষে এসব জিনিস নির্দিষ্ট জায়গায় না রাখলে টেবিলের ওপর ছড়িয়ে পড়ে অগোছালো পরিবেশ তৈরি হতে পারে। অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে ছোট জিনিসগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ সমস্যা এড়াতে ড্রেসিং টেবিলে রাখতে পারেন একটি ছোট ঝুড়ি।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;
&lt;p&gt;একটি ছোট ঝুড়িতে প্রতিদিন ব্যবহার করা প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো একসঙ্গে রাখা যায়। এতে চিরুনি, ক্লিপ কিংবা হেয়ার ব্যান্ড আলাদা আলাদা জায়গায় পড়ে থাকার আশঙ্কা কমে। ব্যবহারের পর জিনিসগুলো আবার ঝুড়িতে রেখে দিলে টেবিল গুছিয়ে রাখাও সহজ হয়। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে দ্রুত প্রস্তুত হওয়ার প্রয়োজন হলে এই অভ্যাস বেশ কাজে আসতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;
&lt;p&gt;ড্রেসিং টেবিলের ওপর জায়গা কম থাকলেও ছোট আকারের একটি ঝুড়ি সহজেই রাখা সম্ভব। প্লাস্টিক, বেত, কাপড় কিংবা অন্যান্য উপকরণে তৈরি ঝুড়ি থেকে নিজের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী বেছে নেওয়া যায়। তবে কেনার আগে ঝুড়ির আকার, ধারণক্ষমতা এবং পরিষ্কার করার সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা ভালো।&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;
&lt;p&gt;ঝুড়ির ভেতরেও জিনিসগুলো একটু পরিকল্পনা করে সাজিয়ে রাখা যেতে পারে। যেমন, হেয়ার ক্লিপ ও ব্যান্ড এক পাশে, নেইলকাটারসহ ছোট প্রসাধনী অন্য পাশে রাখা যায়। প্রয়োজন হলে ছোট পাত্র বা আলাদা খোপযুক্ত ঝুড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে জিনিসপত্র একসঙ্গে থাকলেও সেগুলো খুঁজে পেতে অসুবিধা হবে না।&lt;/p&gt;


&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;
&lt;p&gt;অল্প জায়গায় ছোট একটি ঝুড়ি ব্যবহার করে ড্রেসিং টেবিলের ছোটখাটো জিনিসগুলো একত্রে রাখা যায়। ঘর গোছানোর জন্য বড় কোনো পরিবর্তন না করেও এমন ছোট অভ্যাস দৈনন্দিন কাজে সুবিধা এনে দিতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জবিতে গরু জবাই-এ নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদের পর প্রশাসনের দুঃখপ্রকাশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10662/jnu-animal-slaughter-ban-withdrawn-after-student-protests</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Oct 2026 06:05:29 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10662/jnu-animal-slaughter-ban-withdrawn-after-student-protests</guid>
		<description> প্রসাশনের এমন ভিত্তিহীন ও বেইনসাফ সিদ্ধান্তের বিপরীতে ক্যাম্পাসে গরু জবাই ও খাওয়া-দাওয়ার উদ্যোগ নেন শিক্ষার্থীরা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[১৪ই অক্টোবর (বুধবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে গরু জবাই এর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 
নির্দেশনায় বলা হয়-

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;&quot;&lt;/strong&gt;এতদ্বারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, অত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যে কোনো ধরনের পশু জবাই থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো। উক্ত নির্দেশনা অমান্য করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী (সূত্র: জেডএসসি/পিআরডি/৭৯/২০২৬-২০২৭) ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&lt;strong&gt;&quot;&lt;/strong&gt;

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

কর্তৃপক্ষের দেওয়া এ নির্দেশনা প্রকাশিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবাদ দেখা দেয়।  প্রশাসনের নির্দেশনাটি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা ও আপত্তি তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করা হয়। প্রসাশনের এমন ভিত্তিহীন ও বেইনসাফ সিদ্ধান্তের বিপরীতে ক্যাম্পাসে গরু জবাই ও খাওয়া-দাওয়ার উদ্যোগ নেন শিক্ষার্থীরা। 

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;
পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনসংখ্যার এই দেশে &quot;গরু জবাই&quot;-এ নিষেধাজ্ঞার মতো এমন বৈষম্যমূলক ও ভিত্তিহীন সিদ্ধান্ত, শিক্ষার্থীদের মনে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। প্রশাসনের এমন অযৌক্তিক, প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্তের জবাবে গরুভোজের আয়োজন করছেন শিক্ষার্থীরা।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিশ্ববাজারে টানা তিন সেশনে কমল স্বর্ণের দাম </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10661/gold-price-falls-global-market</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:20:12 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10661/gold-price-falls-global-market</guid>
		<description> বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় সেশনে স্বর্ণের দাম কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির তথ্য ও সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামও আলোচনায় রয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় সেশনে কমেছে স্বর্ণের দাম। বুধবার (১৪ অক্টোবর) জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের মধ্যে মূল্যবান এই ধাতুর দরপতন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা পেতে এসব তথ্যের দিকে নজর রাখছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বাংলাদেশ সময় বুধবার বিকেল ৫টা ২১ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪০ দশমিক ৩৩ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বর মাসে সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার দর ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৬২ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে আসে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ফরেক্স ডটকমের বাজার বিশ্লেষক ফাওয়াদ রাজাকজাদা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় অনেক ব্যবসায়ী আপাতত লেনদেন থেকে বিরত রয়েছেন। তাঁর মতে, এই প্রতিবেদন ডলারের গতিপথ, স্বর্ণের দাম এবং ডলারের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সম্পদের মূল্য নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;যুক্তরাষ্ট্রের সিপিআই প্রতিবেদন গ্রিনিচ মান সময় দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে প্রকাশের কথা ছিল। এর পরদিন বৃহস্পতিবার দেশটিতে উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) ও খুচরা বিক্রির তথ্য প্রকাশের কথা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এদিকে, বুধবার হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। রয়টার্সকে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে নতুন কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলের দাম উঁচু রাখা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা থেকে তেহরান এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ফাওয়াদ রাজাকজাদা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের ঊর্ধ্বগতি থেমে গেলে স্বর্ণের দাম বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাঁর ধারণা, বছরের পরবর্তী মাসগুলোতে স্বর্ণের দাম আবার প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, এমনকি ৪ হাজার ৭০০ ডলারও ছাড়াতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হয়। তবে স্বর্ণ থেকে নিয়মিত সুদ বা আয় পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়লে স্বর্ণের মতো আয়বিহীন সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমে যেতে পারে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস আবারও বলেছেন, মূল্যস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও একবার সুদের হার বাড়াতে হতে পারে। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশটিতে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা প্রায় ২২ শতাংশ। ডিসেম্বরে হার বাড়ার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ বলে ধারণা করছেন বাজারের অংশগ্রহণকারীরা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও বুধবার মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৮ দশমিক ৫৭ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৫৩ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে প্যালাডিয়ামের দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৩২ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছেছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;অন্যদিকে, দেশের বাজারে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটির নির্ধারিত নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্মার্ট টিভি থেকে রান্নাঘরের যন্ত্রে ছড়াতে পারে ক্ষতিকর এআই </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10660/ai-threat-smart-tvs-kitchen-appliances</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:15:02 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10660/ai-threat-smart-tvs-kitchen-appliances</guid>
		<description> স্মার্ট টিভি, ফ্রিজ ও রান্নাঘরের ইন্টারনেট-সংযুক্ত যন্ত্রে ক্ষতিকর এআই ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়ে সতর্ক করেছে অ্যানথ্রপিক। গবেষণার ফলাফল ও নিরাপত্তার উপায় জানুন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[মানুষের সাহায্য ছাড়াই এক স্মার্ট যন্ত্র থেকে আরেকটিতে নিজের অনুলিপি ছড়িয়ে দিতে পারে ছোট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল। এমন সক্ষমতা অর্জনে হয়তো আর কয়েক মাস বাকি বলে জানিয়েছে অ্যানথ্রপিক।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;একবার ছড়ালে কেন্দ্রীয়ভাবে বন্ধ করার ব্যবস্থা না থাকায় এটি নির্মূল করা কঠিন হতে পারে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি এই সম্ভাব্য সাইবারঝুঁকির কথা জানিয়েছে। কম্পিউটার &amp;lsquo;ওয়ার্ম&amp;rsquo; হলো নিজে থেকে এক যন্ত্র থেকে অন্যটিতে ছড়ানো ক্ষতিকর সফটওয়্যার। এর এআই সংস্করণ চালাতে শক্তিশালী তথ্যকেন্দ্রের প্রয়োজন না-ও হতে পারে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;দুর্বল নিরাপত্তার সস্তা স্মার্ট টিভি বক্স ও রান্নাঘরের যন্ত্রের নেটওয়ার্ক দিয়েই এটি ছড়াতে পারে। তবে নিজের অনুলিপি তৈরি করতে কয়েক দিন লাগতে পারে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;গবেষকেরা হিসাব করেছেন &amp;lsquo;কিমউলফ&amp;rsquo; নামের বটনেটের ভিত্তিতে। বটনেট হলো হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে থাকা দখলকৃত যন্ত্রের নেটওয়ার্ক। কিমউলফ সর্বোচ্চ বিস্তারের সময় ২০ লাখের বেশি যন্ত্র আক্রান্ত করেছিল। অধিকাংশই ছিল স্বল্পপরিচিত ব্র্যান্ডের অ্যান্ড্রয়েড টিভি বক্স।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;অ্যানথ্রপিক স্বীকার করেছে, একটি যন্ত্রের ধরন ও পুরোনো একটি বটনেটের ভিত্তিতে করা হিসাবটি আনুমানিক। তবে দৈনন্দিন যন্ত্রের গণনাক্ষমতা বাড়ছে এবং এআই মডেল ছোট হচ্ছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক বরুণ চন্দ্রশেখরন বলেছেন, গবেষণাটি স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি। তার মতে, এখন বড় হুমকি হলো মানুষের এআই ব্যবহার করে হ্যাকিংয়ের সক্ষমতা বাড়ানো।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;জুলাইয়ে ওপেনএআইয়ের মডেলচালিত এআই পরীক্ষার সীমা ছাড়িয়ে হাগিং ফেসের ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ে। ধারণা করা হয়, পরীক্ষার উত্তর খুঁজছিল সেগুলো। এ ধরনের ঘটনায় এআই নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক চাপ বেড়েছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন শিল্পখাতের স্বনিয়ন্ত্রণের পক্ষে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;হোয়াইট হাউস ও সিলিকন ভ্যালির প্রভাবশালীদের অভিযোগ, ছোট প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঠেকাতে অ্যানথ্রপিক ও ওপেনএআই ভয় ছড়াচ্ছে এবং সরকারি বিধিনিষেধ উৎসাহিত করছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;অন্যদিকে, মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথ মঙ্গলবার কার্যকর নিরাপত্তামান তৈরিতে সরকার ও শিল্পখাতকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জনঅসন্তোষের আশঙ্কায় হুথিবিরোধী যুদ্ধে ইসরায়েলকে চান না সৌদি যুবরাজ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10659/saudi-crown-prince-rejects-israel-houthi-war</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:05:25 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10659/saudi-crown-prince-rejects-israel-houthi-war</guid>
		<description> হুতিবিরোধী সামরিক অভিযানে ইসরায়েলের অংশগ্রহণের প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সৌদি জনগণের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছ </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অভিযানে যোগ দিতে চেয়েছিল ইসরায়েল। তবে দেশের মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ এ তথ্য জানিয়েছে।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রিয়াদের কাছে প্রস্তাব পাঠান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইরানসমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে অংশ নেওয়ার অনুমতি চান তিনি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আরেকটি সূত্র হারেৎজকে জানিয়েছে, ইসরায়েলের আশা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্রের সামরিক সহযোগিতা আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদার করবে। ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তির পথও খুলবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;তবে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের খবর নিয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো মন্তব্য করেনি। সৌদি আরবের ডিফ্যাক্টো নেতা বিন সালমান যুবরাজের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও। ফলে তার অনুমোদন ছাড়া ইসরায়েলের যুদ্ধে যোগ দেওয়ার অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা কম।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দেশটিকে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দিতে উৎসাহিত করেছেন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;রিয়াদের অবস্থান হলো, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। অন্যদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রচারে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ঠেকানোর অঙ্গীকার করেছেন নেতানিয়াহু।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;হুথিদের একের পর এক হামলায় সৌদির বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ার মধ্যেই প্রস্তাবটির খবর এল। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শনিবার পর্যন্ত বন্ধ রাখার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন বিমান সংস্থাও ফ্লাইট বাতিল করেছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;নেতানিয়াহু অবশ্য বারবার রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্য জানিয়েছেন। হারেৎজের ভাষ্য, ২০২৩ সালের শরতে দুই দেশ চুক্তির কাছাকাছি ছিল। ওই বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার আগের সপ্তাহগুলোয় সংঘাত না বাড়ানোর চেষ্টার একটি কারণ ছিল এটি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;অন্যদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের দাবি, হামাসের পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রথম সতর্ক করেছিলেন সৌদি যুবরাজ। কিন্তু নেতানিয়াহু সেই সতর্কবার্তার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেননি।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সরকারি কাজে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10658/government-neglect-accountability-projects</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:05:12 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10658/government-neglect-accountability-projects</guid>
		<description> সরকারি কাজে অসহযোগিতা ও অবহেলাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ধীরগতির প্রকল্প অনুসন্ধানের সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;&amp;lsquo;সবার ওপরে বাংলাদেশ&amp;rsquo; নীতি বাস্তবায়নে সরকারি কাজে অসহযোগিতা ও অবহেলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে বাজেট বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের অধীন যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন ধীরগতিতে চলছে, সেগুলো অনুসন্ধানের সুপারিশ করেছে কমিটি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ এমপি।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কমিটির সভাপতি বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনগত, প্রশাসনিক বা বাস্তব কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা কমিটির সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। কোনো তথ্য গোপন না করে প্রয়োজনীয় তথ্য, প্রাসঙ্গিক নথি ও বাস্তব পরিস্থিতি উপস্থাপন করতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তিনি বলেন, নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। ডিজিটাল সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকদের সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয় করতে হবে। পাশাপাশি অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সাঈদ আহমেদ আরও বলেন, সমস্যা সমাধানে প্রচলিত ধ্যানধারণার বাইরে এসে জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের মনে রাখতে হবে, তাঁরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে রাষ্ট্র সংস্কারে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা এবং জাতীয়তাবাদী চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ৩১ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও ঢাকা ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। কমিটি প্রস্তাবটি গ্রহণ করে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এ ছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিসিএস প্রশাসন একাডেমি, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, বিয়াম ফাউন্ডেশন, জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমি (নাডা) এবং জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি)।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align:justify&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে কমিটির সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, শাহজাহান চৌধুরী, মো. আমিরুল ইসলাম খান, ফখর উদ্দিন আহমেদ, রেহেনা আক্তার রানু ও মো. নূরুল ইসলাম অংশ নেন। এ সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এক বছরে বিদেশি ব্যাংকের মুনাফা কমেছে ৪৯৪ কোটি টাকা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10657/foreign-banks-bangladesh-profit-decline</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:57:35 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10657/foreign-banks-bangladesh-profit-decline</guid>
		<description> বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক বছরে বিদেশি ব্যাংকের মুনাফা ৪৯৪ কোটি টাকা ও আমানত ১১১ কোটি টাকা কমেছে। ঋণ বেড়েছে ৩৪৯ কোটি টাকা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিদেশি ব্যাংকগুলোর আমানত ও মুনাফা কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক বছরে এসব ব্যাংকের সম্মিলিত আমানত ১১১ কোটি টাকা কমেছে। একই সময়ে মুনাফা কমেছে ৪৯৪ কোটি টাকা, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত &amp;lsquo;বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের কার্যক্রম: প্রবণতা ও পরিচালনাগত বিশ্লেষণ&amp;rsquo; শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বিদেশি ব্যাংকগুলোর আমানত, ঋণ, বিনিয়োগ ও মুনাফাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্লেষণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনের শেষে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ৩৭৯ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে আমানত কমেছে ১১১ কোটি টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;একই সময়ে ব্যাংকগুলোর সম্মিলিত মুনাফা ২ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা থেকে কমে ২ হাজার ৩২২ কোটি টাকায় নেমেছে। ফলে এক বছরে মুনাফা কমেছে ৪৯৪ কোটি টাকা। তবে আমানত ও মুনাফা কমে যাওয়ার কারণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশে বর্তমানে নয়টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬৭টি শাখা ও ছয়টি উপশাখার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ব্যাংকগুলো হলো এইচএসবিসি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, সিটিব্যাংক এনএ, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, উরি ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ও ব্যাংক আলফালাহ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংকগুলোর আমানতের বড় অংশ রয়েছে কম সুদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাবে। গত জুনের শেষে এসব হিসাবে আমানতের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ৮৮ কোটি টাকা জমা ছিল বিদেশি মুদ্রায় খোলা হিসাবে। এ ছাড়া মেয়াদি বা স্থায়ী আমানতের পরিমাণ ছিল ১২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সাধারণত মেয়াদি আমানতে সুদের হার তুলনামূলক বেশি হলেও বিদেশি ব্যাংকগুলোতে এ ধরনের আমানতের পরিমাণ কম। অন্যদিকে, কম সুদের আমানত বেশি থাকা সত্ত্বেও ঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক সংযত অবস্থানে রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত জুনের শেষে বিদেশি ব্যাংকগুলোর সম্মিলিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরে ঋণ বেড়েছে ৩৪৯ কোটি টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিদেশি ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণের বড় অংশ গেছে শিল্প খাতে। গত জুনের শেষে এ খাতে ঋণের পরিমাণ ছিল ২৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা। বিপরীতে পরিবহন ও নির্মাণ খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল তুলনামূলক কম। পরিবহন খাতে ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ১০ কোটি টাকা এবং নির্মাণ খাতে ৪২৮ কোটি টাকা।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পল্লবী ও রূপনগরে আতঙ্ক ছড়ানো গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10656/pallabi-rupnagar-gang-members-arrested</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:54:07 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10656/pallabi-rupnagar-gang-members-arrested</guid>
		<description> রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগরে অভিযান চালিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৪। তাঁদের কাছ থেকে পিস্তল, গুলি ও মাদক উদ্ধারের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অস্ত্রের মহড়া, চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৪। তাঁদের মধ্যে মশিউর-মামুন গ্রুপের সাতজন এবং মোক্তার গ্রুপের একজন রয়েছেন। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি গুলি, দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসআরবি-৪ জানায়, গত সোমবার দিবাগত রাতে পল্লবী থানার সিরামিক এলাকা ও ১২ নম্বর ঝিলপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্ত্রের মহড়া ও শোডাউনের ভিডিও ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জুয়েল রানা (২৬), সায়মন (২০), রমজান (২২), বিজয় (২৩), ফজলে রাব্বি চিকু (২৩), আফসার হোসেন জিম (১৯), জাহাঙ্গীর হোসেন এবং মিশন ইসলাম ওরফে মিনহাজুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে রমজানের বিরুদ্ধে দুটি, ফজলে রাব্বির বিরুদ্ধে একটি, মিশনের বিরুদ্ধে দুটি এবং বিজয়ের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, আফসার &amp;lsquo;ফোর স্টার&amp;rsquo; গ্রুপের মশিউর-মামুন অংশের শুটার হিসেবে পরিচিত। আফসার ও সায়মনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সায়মন অস্ত্র বহন ও গুলিবর্ষণের সময় আফসারের সঙ্গে সামনের সারিতে থাকতেন বলে জানিয়েছে এসআরবি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;জাহাঙ্গীর পল্লবী এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। তাঁকে গ্রেপ্তারের সময় ২৫টি ইয়াবা বড়ি ও ১৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মাদক মামলা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এসআরবি আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মশিউর-মামুন ও মোক্তার গ্রুপের হয়ে জমি ও স্থাপনা দখল, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিজয় ও ফজলে রাব্বি চিকু অস্ত্রধারী সদস্য হিসেবে পরিচিত। রমজানও গ্রুপটির সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। মিশন ওরফে চোর মিশনের বিরুদ্ধে চোরাই মালামাল কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, জুয়েল রানা মোক্তার গ্রুপের সক্রিয় অস্ত্রধারী সদস্য এবং সাবু ও পাগলা মামুনের হয়ে কাজ করতেন বলে দাবি করেছে এসআরবি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিরপুর, পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। এসব অপরাধের খবর প্রকাশ করায় এক সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>গণতন্ত্র রক্ষায় সরকার আন্তরিক, বললেন ডেপুটি স্পিকার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10655/deputy-speaker-undp-democracy-reform</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:50:23 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10655/deputy-speaker-undp-democracy-reform</guid>
		<description> গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে সরকার আন্তরিক বলে জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। ইউএনডিপির সঙ্গে বৈঠকে সংসদীয় প্রশিক্ষণ ও জনপ্রশাসন সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;দেশের গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে বর্তমান সরকার আন্তরিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় নিজের কার্যালয়ে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ, সংসদীয় কমিটির কার্যক্রম, লিঙ্গসমতা এবং জনপ্রশাসন সংস্কারের বিষয়েও আলোচনা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;কায়সার কামাল বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ সহজ ছিল না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখেন। ক্ষমতার সুষ্ঠু হস্তান্তর এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনেও তাঁর অবদান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ডেপুটি স্পিকার।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;তিনি বলেন, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সহযোগিতা এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সংস্কারে সংস্থাটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিগত সরকারের শাসনের অবসান ঘটে। জেনারেশন জেড বা জেনজির আন্দোলনের পথ অনুসরণ করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকারের মাধ্যমে বর্তমান সরকার নির্বাচিত হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিকস বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির সম্পর্ক রয়েছে। জাতীয় সংসদে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন কোর্স ও প্রশিক্ষণ পরিচালনায় সহযোগিতা দিতে ইউএনডিপি প্রস্তুত। পাশাপাশি সংসদীয় কমিটিগুলোকে সহায়তা এবং লিঙ্গসমতা নীতি বাস্তবায়নেও সংস্থাটি আগ্রহী।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে জনপ্রশাসন ও আমলাতান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ইউএনডিপির ডেপুটি আবাসিক প্রতিনিধি সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের প্রায় ৩২৫টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ পদ্ধতির পরিবর্তন এবং বাস্তবভিত্তিক ও জ্ঞানভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;বৈঠকে ইউএনডিপি ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ভোলাহাটে অসুস্থ বড় ভাইকে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি, আয়ের অর্ধেক ভাগের চুক্তি </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10654/disabled-brother-forced-into-begging-in-bholahat</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:38:52 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10654/disabled-brother-forced-into-begging-in-bholahat</guid>
		<description> চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে নির্মাণকাজে আহত হয়ে কর্মক্ষমতা হারানো অসুস্থ বড় ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করছেন ছোট ভাই। আয়ের অর্ধেক ভাগাভাগির চুক্তির বিষয়টি নিয়ে </description>
		<content:encoded><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে অসুস্থ বড় ভাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন ভিক্ষাবৃত্তি করছেন ছোট ভাই রাজু। বড় ভাই আজিমের দাবি, একসময় তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। প্রায় তিন বছর আগে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় ওপর থেকে স্ল্যাব পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। এরপর থেকে তাঁর শারীরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে যায় বলে জানা গেছে। কর্মক্ষমতা হারিয়ে জীবিকার তাগিদে তাঁকে ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নিতে হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর দলদলী ইউনিয়নের মুশরীভূজা এলাকায় সাংবাদিক শরীফের সঙ্গে কথোপকথনে দুই ভাই তাঁদের বর্তমান জীবনযাপন ও ভিক্ষাবৃত্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, অসুস্থ আজিমকে একটি ভ্যানে বসিয়ে রেখে তাঁর ছোট ভাই রাজু ব্যাগ হাতে এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে চাল, ডাল, খুদ, ধানসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সংগ্রহ করেন। দুই ভাইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সারাদিনে ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে যা সংগ্রহ হয়, তা তাঁদের মধ্যে আধাআদি ৫০:৫০ অনুপাতে ভাগাভাগি করা হয়।

রাজু জানান, ভ্যান ভাড়া করে এবং একটি মাইক কিনে তাঁরা এভাবে ভিক্ষাবৃত্তি করে থাকেন তিন বছর ধরে। তাঁদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার খয়রাবাদ এলাকায়।

এদিকে, বড় ভাই আজিম সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতা পান বলে জানা গেছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা, চিকিৎসার প্রয়োজন, ভাতার অর্থ যথাযথভাবে তাঁর কাজে ব্যয় হচ্ছে কি-না এবং দুই ভাইয়ের মধ্যে সংগৃহীত অর্থের ভাগাভাগি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে—এসব বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতনমহল।

একজন শারীরিকভাবে অসুস্থ মানুষের জীবিকা নির্বাহের অসহায়ত্ব যেমন মানবিক বিবেচনার দাবি রাখে, তেমনি তাঁর আর্থিক নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সহায়তা, পরামর্শ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন ব্যক্তিরা।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের মাধ্যমে আজিমের প্রকৃত শারীরিক অবস্থা, আর্থিক প্রয়োজন ও সরকারি সহায়তার বিষয়টি স্পষ্ট হলে তাঁর জন্য যথাযথ পুনর্বাসন বা সহায়তার ব্যবস্থা করা সম্ভব হতে পারে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এলপিজি নিয়ে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10653/lpg-market-manipulation-legal-action-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 15:50:15 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10653/lpg-market-manipulation-legal-action-bangladesh</guid>
		<description> এলপিজির বাজারে কারসাজি, কৃত্রিম সংকট বা ধর্মঘটের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি, মূল্য নিয়ে কারসাজি কিংবা ধর্মঘটের মাধ্যমে জনগণকে জিম্মি করার চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, এলপিজি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হওয়ায় এর সরবরাহ বিঘ্নিত করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা সরকার মেনে নেবে না।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি জানান, এলপিজি সরবরাহে বেসরকারি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপারেটরদের সঙ্গে এটি সরকারের তৃতীয় বৈঠক। আগামী ২০ অক্টোবর আবারও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, এলপিজি সরবরাহ নিয়ে কারসাজি কিংবা ধর্মঘটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে ফেলার চেষ্টা করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাজারে মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশে এলপিজি সরবরাহ ও বিপণনের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জড়িত। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত ফর্মুলা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি জানান, এলপিজির ডিলার ও বিক্রেতারা তাঁদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে চলতি সপ্তাহের শেষ দুই দিন ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করে বর্তমান ও আগামী বছরের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আলোচনায় উঠে আসা কৌশলগুলো প্রকাশের সময় এখনো আসেনি বলে জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী এ ধরনের পণ্যের সরবরাহ নিয়ে কারসাজি বা জনস্বার্থবিরোধী পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হলে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এলপিজির সরবরাহ ব্যাহত হলে রান্নাসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজে এর ওপর নির্ভরশীল লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক দাবি ও সমস্যার সমাধানে সরকার আলোচনায় প্রস্তুত জানিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাণিজ্যিক সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু নিজেদের দাবি আদায়ে সরবরাহ বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা গ্রহণযোগ্য নয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে এলপিজির মূল্য, সরবরাহ পরিস্থিতি, ব্যবসায়ীদের দাবি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতার প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়। সম্ভাব্য ধর্মঘটের কারণে বাজারে সংকট এড়ানো এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় আলোচনা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সরকার।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে মানব পাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10652/bangladeshis-trafficked-russia-ukraine-war-arrests</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 15:44:10 +0600</pubDate>
		<category>চাকুরী</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10652/bangladeshis-trafficked-russia-ukraine-war-arrests</guid>
		<description> উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগে মানব পাচার চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশিদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করার অভিযোগে মানব পাচার চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন মিজানুর রহমান (৫৫) ও মো. আবু তাহের লেন্টু (৫০)।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান। এর আগে মঙ্গলবার ফরিদপুরের নগরকান্দা এবং ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী রাজন হোসেনকে (২১) নির্মাণকাজে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রাশিয়ায় পাঠানো হয়। গত ৭ মে সেখানে পৌঁছানোর পর রাজনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে রাজনকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সেখানে ড্রোন হামলায় রাজনের কোমরের হাড় ভেঙে যায় এবং তিনি দুই পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলেন বলে জানানো হয়েছে। পরে আহত অবস্থায় পালিয়ে দূতাবাসের সহায়তায় গত ২৩ আগস্ট দেশে ফেরেন তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দেশে ফিরে ক্ষতিপূরণ চাইলে মিজানুর রহমান রাজনের পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রাজনের বাবা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মামলার পর মঙ্গলবার ভোরে ফরিদপুরের নগরকান্দার আটাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন এসআরবি-৬-এর একটি দল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকা থেকে আবু তাহের লেন্টুকে গ্রেফতার করে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই চক্রের মাধ্যমে প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রাশিয়ায় নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। পরে তাঁদের যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে প্রায় ২০ জন মারা গেছেন এবং দুজন পালিয়ে দেশে ফিরেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10650/tongi-drug-factory-fire-under-control</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 15:25:31 +0600</pubDate>
		<category>মানব সম্পদ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10650/tongi-drug-factory-fire-under-control</guid>
		<description> গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ওষুধ কারখানার আগুন চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। আহত হয়েছেন দুই শ্রমিক। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগআলী এলাকায় ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ওষুধ কারখানায় লাগা আগুন প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন পুরোপুরি নেভাতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানার ইউনিট-২-এর চারতলা ভবনের চতুর্থ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল ও কারখানার বিভিন্ন অংশে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যায়ক্রমে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে টঙ্গী, উত্তরা, গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন, কুর্মিটোলা, রাজেন্দ্রপুর ও পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের ইউনিটগুলো কাজ করে। রাসায়নিক উপাদানজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় মিরপুর থেকে একটি বিশেষায়িত হ্যাজম্যাট টেন্ডারও পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অগ্নিনির্বাপণে সহায়তার জন্য দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল পানির ট্যাংক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কর্মীরাও উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শাহীন আলম জানান, কারখানার চতুর্থ তলায় আগুনের সূত্রপাতের পর তা দ্রুত ওষুধ তৈরির কাঁচামালের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। দ্রুত বের হওয়ার সময় হুড়োহুড়িতে দুই শ্রমিক আহত হন বলে জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে সাদেক হোসেন (৩৮) নামের একজনকে টঙ্গীর হোসেন মার্কেট এলাকার ঢাকা ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্য আহত শ্রমিকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও কারখানার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিরাপদ খাদ্যের মোবাইল ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10649/mobile-food-testing-labs-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 13:22:33 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10649/mobile-food-testing-labs-bangladesh</guid>
		<description> নিরাপদ খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদারে ৬৪ জেলায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের। বর্তমানে আটটি মহানগরে চলছে কার্যক্রম। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার এবং খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের ৬৪ জেলায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বর্তমানে আটটি মহানগরে এ কার্যক্রম চলছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে যাওয়ার আগে নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার একটি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত হন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নিচে রাখা ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটির ভেতরে প্রবেশ করে তিনি এর কার্যক্রম দেখেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে পরীক্ষাগারের কার্যপদ্ধতি এবং খাদ্যের নমুনা পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;কর্মকর্তারা জানান, ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে আটটি মহানগরে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলায় এই সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমে খাদ্যে ভেজাল শনাক্তকরণ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;চলতি ২০২৬ থেকে ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে। এসব পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকির সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেও ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারগুলোতে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভ্যানের বাইরের দিকে স্থাপিত মনিটরে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রচার করা হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদি আরবে হুতি হামলা, এশিয়ান কাপের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক অস্ট্রেলিয়া </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10648/saudi-arabia-asian-cup-security-australia</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 13:03:34 +0600</pubDate>
		<category>খেলাধুলা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10648/saudi-arabia-asian-cup-security-australia</guid>
		<description> সৌদি আরবে হুতি হামলার পর ২০২৭ সালের এশিয়ান কাপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ফুটবল অস্ট্রেলিয়া। খেলোয়াড় ও সমর্থকদের নিরাপত্তায় ঝুঁকি মূল্যায়ন চলছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সৌদি আরবে সাম্প্রতিক হুতি হামলার পর ২০২৭ সালের এশিয়ান কাপের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে ফুটবল অস্ট্রেলিয়া। আগামী জানুয়ারিতে সৌদি আরবে শুরু হতে যাওয়া এশিয়ার শীর্ষ ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ফুটবল কর্তৃপক্ষ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সোমবার সৌদি আরবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ক্লাব আল নাসরের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর শুরু হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের দাবি, হুতিদের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে এগিয়ে আসছিল, যা প্রতিহত করা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তেল স্থাপনা, ট্যাংকার ও পরিবহন কেন্দ্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;এ পরিস্থিতিতে ২৪ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান কাপ শুরুর আগে নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ফুটবল অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টটি আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও আল খোবার শহরে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;ফুটবল অস্ট্রেলিয়ার এক মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, খেলোয়াড়, কর্মী ও সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং কল্যাণই সংস্থাটির প্রধান অগ্রাধিকার। তাদের অভিজ্ঞ নিরাপত্তা দল নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য দিচ্ছে। জাতীয় দলের প্রতিটি প্রশিক্ষণ শিবিরের পরিকল্পনায় ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হয় এবং জানুয়ারির প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও নিরাপত্তা বিশেষ গুরুত্ব পাবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মুখপাত্র আরও জানান, এশিয়ান কাপ আয়োজনের পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ফুটবল অস্ট্রেলিয়া। এ বিষয়ে এএফপির পক্ষ থেকে এএফসির মন্তব্য চাওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>মাদক, কিশোর গ্যাং ও র‍্যাগ ডে রোধে মাউশির নির্দেশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10647/education-drugs-rag-day-prevention-guidelines</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৪]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 12:58:46 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10647/education-drugs-rag-day-prevention-guidelines</guid>
		<description> শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং ও র‍্যাগ ডের বিশৃঙ্খলা রোধে সচেতনতা কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ মাউশির। অগ্রগতি প্রতিবেদন জমার শেষ সময় ২৬ অক্টোবর। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং এবং র&amp;zwj;্যাগ ডের নামে বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বিশেষ সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় মনোযোগী করতে অভিভাবক সমাবেশ, সভা, সেমিনার ও প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে বলা হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে জমা দিতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক অফিস আদেশে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;অফিস আদেশে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তৈরি মাদকবিরোধী প্রামাণ্যচিত্র ও থিম সং প্রদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইভটিজিং প্রতিরোধ এবং র&amp;zwj;্যাগ ডের নামে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে নিয়মিত অভিভাবক সমাবেশ, সভা, সেমিনার আয়োজন এবং প্রচারপত্র বিতরণের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p style=&quot;text-align: justify;&quot;&gt;&lt;span style=&quot;font-size:18px&quot;&gt;নির্দেশনা অনুযায়ী, আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের তাঁদের আওতাধীন জেলাগুলোর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, মাদকবিরোধী প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের হার, ইভটিজিং প্রতিরোধ কমিটি গঠনের তথ্য, অভিভাবক সমাবেশ আয়োজন এবং রাতে পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে নেওয়া উদ্যোগের অগ্রগতি ছক আকারে সংকলন করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্ধারিত তথ্য সংকলন করে আগামী ২৬ অক্টোবরের মধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে মাউশিতে পাঠাতে বলা হয়েছে।&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে ইনুর আপিল </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10646/hasanul-haq-inu-appeal-against-10-year-sentence</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 11:42:07 +0600</pubDate>
		<category>আইন আদালত</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10646/hasanul-haq-inu-appeal-against-10-year-sentence</guid>
		<description> জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন হাসানুল হক ইনু। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিলটি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে, গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ইনুকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি&amp;mdash;তৃতীয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম&amp;mdash;প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে সাজাগুলো একসঙ্গে কার্যকর হওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় তাঁকে মোট ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ট্রাইব্যুনালের রায়ে বলা হয়, রাইসুল হকসহ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধে ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও সহযোগিতার অভিযোগেও তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এসব অভিযোগে কারাদণ্ডের পাশাপাশি পৃথক অভিযোগে এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা প্রথম, দ্বিতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও অষ্টম অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তাঁকে এসব অভিযোগ থেকে খালাস দেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;strong&gt;যেসব অভিযোগে সাজা হয়েছে&lt;/strong&gt;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই দুপুরে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোন করে আন্দোলনকারীদের ভিডিও দেখে শনাক্ত করার পাশাপাশি তাঁদের দমন, আটক, নির্যাতন ও হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ইনু।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ষষ্ঠ অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২৯ জুলাই ১৪ দলীয় জোটের সভায় উপস্থিত থেকে তিনি আন্দোলনকারীদের &amp;lsquo;জামায়াত, সন্ত্রাসী, সাম্প্রদায়িক&amp;rsquo; হিসেবে আখ্যায়িত করেন। একই সভায় জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর চালানো হত্যা ও নির্যাতনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সপ্তম অভিযোগে বলা হয়, ৪ আগস্ট বিকেলে আন্দোলনকারীদের &amp;lsquo;জঙ্গি&amp;rsquo; আখ্যা দিয়ে কারফিউ জারির মাধ্যমে গুলি চালানোর কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে অধস্তনদের নির্দেশ দিয়েছিলেন ইনু।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আজকের স্বর্ণের দাম: ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার টাকা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10645/gold-silver-prices-bangladesh-october-14-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 11:37:20 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10645/gold-silver-prices-bangladesh-october-14-2026</guid>
		<description> আজকের স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশের স্বর্ণের দাম, ২২ ক্যারেট সোনা, ২১ ক্যারেট সোনা, রুপার দাম, বাজুস, Gold Price Bangladesh, Gold Rate Today, Silver Price </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের বাজারে বুধবার (১৪ অক্টোবর) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আগের দিনের নির্ধারিত দামেই। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এর আগে ১৩ অক্টোবর স্বর্ণের দাম কমানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৯টায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। আগের দিন সোমবার (১২ অক্টোবর) এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৯৬৬ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬২৪ টাকা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;উল্লেখ্য, এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>দিন-রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে, বৃষ্টির আভাস ৩ বিভাগে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10644/bangladesh-weather-temperature-rain-forecast-october-14-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 11:35:17 +0600</pubDate>
		<category>আবহাওয়া</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10644/bangladesh-weather-temperature-rain-forecast-october-14-2026</guid>
		<description> আবহাওয়ার পূর্বাভাস, তাপমাত্রা কমবে, বৃষ্টির সম্ভাবনা, বজ্রবৃষ্টি, খুলনা আবহাওয়া, বরিশাল আবহাওয়া, চট্টগ্রাম আবহাওয়া, Bangladesh Weather Forecast, Temperature Upd </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের তিন বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (১৭ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রোববার (১৮ অক্টোবর) সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে ইসলামী আদর্শ অনুসরণের আহ্বান </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10643/islamic-guidelines-for-choosing-baby-names</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 09:35:10 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10643/islamic-guidelines-for-choosing-baby-names</guid>
		<description> আল্লাহ আমাদের সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে নবীজী ﷺ এর সুন্নাহ্ অনুসরণের তাওফিক দিন, তাদেরকে ইসলামী আদর্শের উপর গড়ে তোলার তাওফিক দিন এবং আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি </description>
		<content:encoded><![CDATA[সংগৃহীত: মাসিক আল কাউসার ওয়েবসাইট থেকে 

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

সন্তানের সুন্দর নাম রাখা পিতা-মাতার কর্তব্য। পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের হক। তবে সুন্দর নাম বলতে- তা হতে হবে ইসলামসম্মত নাম। নাম অসুুন্দর বা আপত্তিকর হওয়ার কারণে নবিজী ﷺ
কিছু সাহাবীর নাম পরিবর্তন করে সুন্দর অর্থবহ নাম রেখেছেন।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

এক সাহাবীর নাম ছিল আব্দুল হাজার (পাথরের বান্দা)। নবীজী ﷺ শুনলেন- তাকে আব্দুল হাজার বলে ডাকা হচ্ছে। তাকে ডেকে বললেন, তোমার নাম কী? সে বলল, আব্দুল হাজার। তখন নবীজী ﷺ বললেন, বরং তুমি আব্দুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা)। -আলআদাবুল মুফরাদ, হাদীস ৮১১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদীস ২৫৯০১
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

নামের অনেক গুরুত্ব। নামের মাধ্যমেই ব্যক্তির ব্যাপারে আমরা প্রাথমিক ধারণা পাই- সে মুসলিম না অমুসলিম। নামের অসঙ্গতির কারণে কখনো কখনো ব্যক্তির সাথে অযাচিত আচরণও হয়ে যায়। তাই আমাদের জীবনে নামের অনেক গুরুত্ব।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

এমনিভাবে নামের সাথে সংস্কৃতি ও আদর্শের বিষয়টিও জড়িত। সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টির প্রতি লক্ষ্য রাখা হচ্ছে- সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

সন্তানের নাম রাখার সময় আমরা সুন্দর অর্থবহ নাম বা বড় ব্যক্তি বা প্রিয় ব্যক্তিত্বের নামের বিষয়টি খেয়াল রাখি। কোনো নবীর নামে সন্তানের নাম রাখি বা কোনো সাহাবী-তাবেয়ী কিংবা বড় কোনো বুযুর্গের নামে সন্তানের নাম রাখি। নবীজী ﷺ থেকে আমরা এ বিষয়ে নির্দেশনা পাই। 
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

নবীজী ﷺ-এর সন্তান ইবরাহীম জন্ম নিলে নবীজী ﷺ ইরশাদ করলেন,&lt;br&gt;
وُلِدَ لِي اللَّيْلَةَ غُلَامٌ، فَسَمَّيْتُهُ بِاسْمِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ.
&lt;br&gt;
-রাতে আমার একটি পুত্রসন্তান জন্ম নিয়েছে। আমি আমার পিতার নাম অনুসারে (ইবরাহীম আলাইহিস সালামের নামানুসারে) তার নাম রেখেছি-ইবরাহীম। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ২৩১৫
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

এ হলো সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে ইসলামের আদর্শ। কিন্তু দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হলো, আমাদের সমাজের কিছু মুসলিম ভাই দ্বীনী বিষয়ে অজ্ঞতা বা স্বীয় দ্বীন ও সংস্কৃতির প্রতি হীনম্মন্যতার কারণে কিংবা বিজাতীয় কালচার বা ব্যক্তির প্রতি দুর্বলতার কারণে- তারা সন্তানের নাম রেখে দেন কোনো বিজাতির নামানুসারে; রুশো, নিউটন, ফ্যন্সি ইত্যাদি। এটি বড়ই দুঃখজনক বিষয়। আর এটি যদি হয় ইসলামী নামের প্রতি অবজ্ঞা বশত তাহলে তো ঈমানের খতরা।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

কিয়ামতের দিন তো ব্যক্তিকে তার ও তার পিতার নামসহ ডাকা হবে। এখন কোনো কাফের খেলোয়ার, অভিনেতা বা ইসলামের দুশমনের নামে সন্তানের নাম রাখা হলো, তো কিয়ামতের দিন তাকে সকল সৃষ্টির সামনে ঐ কাফেরের নামে ডাকা হবে! সেদিন আমার সন্তানের কেমন লজ্জায় পড়তে হবে? আর এটা কেমন কথা, আমার সন্তান মুসলিম আর আমি তার নাম রেখে দিব কোনো অমুসলিমের নামানুসারে!
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

কারো নামে সন্তানের নাম রাখার একটি উদ্দেশ্য তো থাকে নেক ফল; আল্লাহ যেন সন্তানকে অমুকের মত নেক বানান। কিন্তু কাফেরের নামানুসারে নাম রাখার দ্বারা একজন মুমিনের কী উদ্দেশ্য হতে পারে? ঐ কাফেরের মতো হওয়া? নাউযু বিল্লাহি মিন যালিক!
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

তবে আমাদের এ আলোচনার দ্বারা এও উদ্দেশ্য নয় যে, ইসলামসম্মত নামই সবকিছু; সন্তানের ইসলামসম্মত নাম রাখলাম তো সব দায়িত্ব আদায় হয়ে গেল, তার দ্বীনী তরবিয়ত ইত্যাদি নিয়ে আর ভাবতে হবে না। বরং আমাদের উদ্দেশ্য হলো, সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে আমাদের অবহেলা এবং এক্ষেত্রে ইসলামের কিছু নির্দেশনার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

সুতরাং সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে আমরা বিষয়গুলো খেয়াল রাখব। আল্লাহ আমাদের সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে নবীজী ﷺ এর সুন্নাহ্ অনুসরণের তাওফিক দিন, তাদেরকে ইসলামী আদর্শের উপর গড়ে তোলার তাওফিক দিন এবং আমাদেরকে জীবনের প্রতিটি বিষয়ে ইসলামী আদর্শের উপর টিকে থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ফরিদপুর মেডিকেলে দুই যন্ত্রে সাড়ে ২৩ কোটি টাকা অপচয়: দুদক </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10642/faridpur-medical-college-equipment-purchase-corruption</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 09:10:39 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10642/faridpur-medical-college-equipment-purchase-corruption</guid>
		<description> ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি চিকিৎসা যন্ত্র কেনায় প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা অপচয়ের তথ্য পেয়েছে দুদক। ৯ বছরেও চালু হয়নি ক্যাথল্যাব। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি চিকিৎসা যন্ত্র কেনায় প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা অপচয় হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুই দিনের অভিযান শেষে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তাফিজ। সোমবার সকাল ১০টা থেকে এ অভিযান শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রায় নয় বছর আগে স্থাপন করা ক্যাথল্যাব এখনো চালু করা হয়নি। অন্যদিকে, লিনিয়ার এক্সেলেটর নামের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা যন্ত্র বস্তাবন্দি অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা এসব যন্ত্রের কার্যকর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ ছাড়া হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনাকাটায়ও অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনার তথ্য পেয়েছে দুদক। বিশেষ করে এমএসআর খাতে কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুদক কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজ জানান, হাসপাতালটিতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের হয়রানি, দালাল চক্রের মাধ্যমে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে পরিচালিত এ অভিযানে হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম ও কেনাকাটাসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। চিকিৎসা যন্ত্র কেনায় সরকারি অর্থের ব্যবহার, যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা এবং সেবাপ্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগগুলো অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারি অর্থ ব্যয়ে কেনা গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা যন্ত্র দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকলে একদিকে যেমন অর্থের অপচয় হয়, অন্যদিকে রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হন। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যাথল্যাব চালু না হওয়া এবং লিনিয়ার এক্সেলেটর বস্তাবন্দি থাকার ঘটনায় এসব যন্ত্রের যথাযথ ব্যবহার ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে অভিযানে উঠে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং পরবর্তী তদন্তে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আলাস্কার গ্যাসের ৩০ শতাংশ কিনবে তাইওয়ান: ট্রাম্প </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10641/taiwan-buy-30-percent-alaska-gas-project</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 09:04:19 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10641/taiwan-buy-30-percent-alaska-gas-project</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় প্রস্তাবিত গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের উৎপাদিত গ্যাসের ৩০ শতাংশ কিনতে সম্মত হয়েছে তাইওয়ান বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় প্রস্তাবিত গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প থেকে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের ৩০ শতাংশ কিনতে সম্মত হয়েছে তাইওয়ান। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আলাস্কায় রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির আয়োজিত এক সমাবেশে এ তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চুক্তির শর্তাবলি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সমাবেশে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক জানান, আলাস্কার গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের উন্নয়নে ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাইওয়ান। তবে এ বিষয়ে তাইওয়ানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তাইওয়ানের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এ বছর দ্বীপটির মোট আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য দেশ থেকে গ্যাস কেনার পরিমাণ কমানোর পরিকল্পনাও রয়েছে তাইওয়ানের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত বছর তাইওয়ানের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সিপিসি করপোরেশন আলাস্কা গ্যাসলাইন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের সঙ্গে একটি চুক্তি করে। ওই চুক্তির আওতায় আলাস্কা থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনার পাশাপাশি গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চুক্তির সময় তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বলেছিলেন, এই বিনিয়োগ দ্বীপটির জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে গ্যাস আমদানি বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আলাস্কার এই প্রকল্প তাইওয়ানের জ্বালানি সরবরাহের উৎস বৈচিত্র্যময় করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদি আরবে আরামকোর ভবনে হুতিদের হামলা, আহত ৪ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10640/saudi-aramco-building-houthi-attack-yemen-conflict</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 08:59:09 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামী বিশ্ব</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10640/saudi-aramco-building-houthi-attack-yemen-conflict</guid>
		<description> ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার পর ধাহরানে আরামকোর প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালিয়েছে হুতিরা। পাল্টাপাল্টি হামলায় বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইয়েমেনের রাজধানী সানায় তেল স্থাপনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ভবনটিতে আগুন লাগলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, হামলার পর ভবনটিতে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে হামলাটি কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলোর আশপাশে অবস্থানরত কর্মী ও বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল হুতিরা। এসব স্থাপনাকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইয়েমেন অয়েল কোম্পানির আল-সাবাহ কেন্দ্রীয় তেল স্থাপনা থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের নির্দেশের পর এ হুঁশিয়ারি আসে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সতর্ক করে বলেন, সানায় হামলা চালানো হলে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কঠোর ও যন্ত্রণাদায়ক পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। এর কিছুক্ষণ পরই সানায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হুতিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, সৌদি-সমর্থিত বাহিনী রাজধানীর আল-সাবাহ এলাকায় একটি তেল স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সানার আল-সাবাহ কেন্দ্রীয় তেল স্থাপনার পাশাপাশি রাস ঈসা বন্দরে ইয়েমেনের তেল সংরক্ষণ ট্যাংক এবং হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন হোদেইদা প্রদেশের একটি তেল স্থাপনা লক্ষ্য করেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকির অভিযোগ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অস্ত্রভান্ডার হিসেবে তেল স্থাপনা এবং ভূগর্ভস্থ জ্বালানি ডিপো ব্যবহার করছে হুতিরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ইয়েমেন অয়েল কোম্পানি আগেই জানিয়েছিল, তাদের তেল সংরক্ষণাগারগুলো খালি রয়েছে। ফলে এসব স্থাপনায় হামলা হলেও তেলের মজুত কিংবা সাধারণ মানুষের জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। তা সত্ত্বেও জ্বালানির সংকট দেখা দিতে পারে, এমন আশঙ্কায় সানার কয়েকটি পেট্রলপাম্পে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এদিকে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া হুতিদের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএর বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র জানান, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে চারজন আহত হয়েছেন এবং ১৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার রিয়াদের উত্তরে তিনটি ড্রোন প্রতিহত করার কথাও জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। একই দিনে রিয়াদে আরামকোর সদর দপ্তর, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আরামকোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি শোধনাগারের আশপাশ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। রোববার বিমানবন্দরে আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে আরও একজন নিহত এবং ১১ জন আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ধারাবাহিক এসব হামলার পর সৌদি আরব ও প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা। এর মধ্যে রয়েছে এয়ার ফ্রান্স-কেএলএম, এয়ার ইন্ডিয়া, ইতিহাদ, লুফথানসা, ডেল্টা, গালফ এয়ার ও কাতার এয়ারওয়েজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গত সপ্তাহ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের প্রভাব ইয়েমেনসহ আশপাশের দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এসব হামলা-পাল্টা হামলায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মঙ্গলবার সৌদি আরবের মন্ত্রিসভা হুতিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করেছে। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সৌদি প্রেস এজেন্সি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেছেন, গোষ্ঠীটি খুব খারাপ আচরণ করছে। সৌদি আরবের স্বার্থ রক্ষায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতার আহ্বান জানাতে পারেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, এরদোয়ানকে তিনি যে অনুরোধ করবেন, তাঁর তা পালন করার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা সর্বকালের রেকর্ড ছাড়িয়েছে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10639/hormuz-strait-ship-attacks-reach-record-high</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 06:17:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10639/hormuz-strait-ship-attacks-reach-record-high</guid>
		<description> যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার ঘটনা সম্প্রতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত এক সপ্তাহে ১২টি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা </description>
		<content:encoded><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার ঘটনা সম্প্রতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কেপলার এবং উইন্ডওয়ার্ডের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে পাঁচই অক্টোবর থেকে ১১ই অক্টোবরের মধ্যে ১২টি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।

এই হামলা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ হামলার রেকর্ড এবং যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহের ১১টি হামলার ঘটনাকেও ছাড়িয়ে গেছে। কেবলমাত্র ১১ই অক্টোবরই ছয়টি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি এবং ওমানের সোহার বন্দরের কাছাকাছি এলাকায় পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকার ও একটি কন্টেইনার জাহাজে হামলা হয়।

গত সপ্তাহে কাতার, পূর্ব ফুজাইরা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন বন্দরের কাছাকাছি এলাকাতেও তেলবাহী ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল।

 সূত্র: বিবিসি বাংলা]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার, ক্যাম্পাসে না আসার শর্তে </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10638/chuet-vc-rescued-after-30-hours-under-seige</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 06:14:34 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10638/chuet-vc-rescued-after-30-hours-under-seige</guid>
		<description> চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে ঘিরে টানা প্রায় ৩০ ঘণ্টার অবরুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান হয়েছ </description>
		<content:encoded><![CDATA[চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে ঘিরে টানা প্রায় ৩০ ঘণ্টার অবরুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান হয়েছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে  মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপাচার্যসহ ১১ জনকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে গেছে প্রশাসন। উপাচার্যকে আর ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করার শর্তে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, রাউজান উপজেলার সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর উপাচার্যকে মুক্তি দিতে সম্মত হন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে কঠোর পুলিশ পাহারায় তাদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।

দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকাকালে উপাচার্যসহ ভেতরে অবস্থানরত কয়েকজনের শারীরিক অসুস্থতার খবরও সামনে আসে। ফলে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তাদের ক্যাম্পাস থেকে বের করা হয়। 

এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। উপাচার্যকে উদ্ধারের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘একজন সম্মানিত শিক্ষক আমাদের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছেন, চিকিৎসার জন্য বলেছেন। তাকে আমরা নিয়ে যেতে এসেছি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে।’

পরে জেলা প্রশাসক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণব ও গালিব। তারা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ক্যাম্পাসের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।

অর্ণব বলেন, ‘এখানে চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রশাসনের মানুষজন উপস্থিত আছেন। আমরা জানতে চাই, আপনারা কখন আমাদের নিরাপত্তার জন্য থাকবেন? আপনারা কি শুধু সেই ভিসিকে বের করে নিয়ে যেতে এসেছেন, যিনি বহিষ্কৃত সন্ত্রাসীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। আমরা শিক্ষার্থীরা কি আপনাদের সন্তানতুল্য নই?’

তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে না এসেই তিনি আমাদের শিক্ষকদের নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া শুরু করেছিলেন। বিষয়গুলো আমাদের কাছে পৌঁছালে শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা শিক্ষকদের এই অসম্মান মেনে নিতে পারিনি। এরপর তিনি আরও একধাপ এগিয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতার বলে শিক্ষকদের পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেন। এই পর্যায়ে এসে আমরা আর তাকে এই ক্যাম্পাসে দেখতে চাইনি।’

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে উপাচার্যসহ ১১ জনকে বের করে আনা হয়। উপাচার্য ছাড়াও তাদের মধ্যে চুয়েট ছাত্রদল সভাপতি ওয়াসিফ রাশেদ, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আরাফাত রহমান রানা ও ছাত্রদল নেতা বিপ্লব ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে তাদের কঠোর পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

উপাচার্যকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের শর্ত ছিল, তিনি যেন আর চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করেন। এ শর্তে তাকে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় বলে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মধ্যে অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি থেকে সরে আসেননি।

সোমবার সকালে ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর নতুন উপাচার্যকে পদত্যাগের আলটিমেটাম দেন আন্দোলনকারীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করায় তাকে প্রশাসনিক ভবন-২-এ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। আজ সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে তাকে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে এ পরিস্থিতির অবসান ঘটে।

উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে চুয়েটে কয়েক সপ্তাহ ধরে অচলাবস্থা চলছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>তিনটি স্থাপনা থেকে সরে যাওয়ার হুথিদের নির্দেশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10637/houthis-warn-civilians-to-evacuate-saudi-airports-and-oil-sites</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 06:12:05 +0600</pubDate>
		<category>ইসলামী বিশ্ব</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10637/houthis-warn-civilians-to-evacuate-saudi-airports-and-oil-sites</guid>
		<description> ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে সবাইকে দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা থেকে সবাইকে দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এসব স্থাপনার মধ্যে রয়েছে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) হুথিরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের রাজধানী সানার তেল স্থাপনায় পূর্বঘোষিত বিমান হামলা চালালে এর পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে দাম্মামে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর সদর দপ্তর, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজধানীতে অবস্থিত আরামকোর একটি তেল শোধনাগার। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে এসব স্থাপনা থেকে সরে যেতে এবং আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলতে বলেছে গোষ্ঠীটি।

এর আগে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল মালিকি সানার তেল স্থাপনায় হামলার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত কয়েক দিন ধরে হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যে সরাসরি সংঘাত চলছে। গত শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর থেকেই হুথিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছে সৌদি আরব।

মঙ্গলবারও রিয়াদ লক্ষ্য করে ড্রোন ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি, ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে সেগুলো কোন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল কিংবা কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি মুখপাত্র তুর্কি আল মালিকি।

সানায় সম্ভাব্য বিমান হামলার ঘোষণার পর হুথিদের পাল্টা হুমকিতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বেড়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>রেলখাতের উন্নয়নে ৮০টি নতুন ইঞ্জিন আমদানির উদ্যোগ: রেলমন্ত্রী </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10636/govt-to-import-80-new-locomotives-says-railway-minister</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 06:09:30 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10636/govt-to-import-80-new-locomotives-says-railway-minister</guid>
		<description> আধুনিক ও জনবান্ধব রেল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রেলখাতে বড় বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ট্রেন চলাচল বাড়াতে তিন ধাপে ৮০টি লোকোমোটিভ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব রেল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে রেলখাতের উন্নয়নে বড় বাজেট বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রেলপথে ট্রেন চলাচল বাড়াতে তিন ধাপে আরও ৮০টি লোকোমোটিভ (রেল ইঞ্জিন) আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক, নৌপরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে রেল পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করা হবে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রেল যোগাযোগ উন্নত ও আধুনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ জন্য রেলখাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আগের সরকারের সমালোচনা করে শেখ রবিউল আলম বলেন, রেলওয়ের উন্নয়নে অতীতের সরকারগুলো উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয়নি। বরং উন্নয়নের নামে রেলওয়েকে অনেকাংশে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কারখানা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ এবং কারখানার প্রধান নির্বাহী হাসানুজ্জামানসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে রেলমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিব ও রেলওয়ের মহাপরিচালক কারখানা চত্বরে চারটি জলপাইয়ের চারা রোপণ করেন।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে নোবিপ্রবি </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10634/nobu-announces-10-days-vacation-for-durga-puja</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০২]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 14 Oct 2026 05:45:22 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10634/nobu-announces-10-days-vacation-for-durga-puja</guid>
		<description> শারদীয় দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)। ১৮ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ক্ </description>
		<content:encoded><![CDATA[শারদীয় দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী ও লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে ১০ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)।

সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আগামী ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর এবং ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। তবে ছুটির আগে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর (শুক্র ও শনিবার) এবং ছুটির পর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষার্থীরা টানা ১০ দিনের ছুটি ভোগ করবেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর এবং ২৫ অক্টোবর বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় অফিস কার্যক্রমও মোট ৯ দিন বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ছুটিকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দপ্তর প্রধানদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ছুটি সমন্বয়ের লক্ষ্যে আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অফিস খোলা থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>স্কুলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10633/school-admission-policy-2027-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:30:25 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10633/school-admission-policy-2027-bangladesh</guid>
		<description> ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ। প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা এবং আবেদন ফি সম্পর্কে </description>
		<content:encoded><![CDATA[দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতি বহাল রাখা হয়েছে। আর দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপ-সচিব তানিয়া ফেরদৌস।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;প্রথম শ্রেণিতে লটারি যেভাবে&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয়ে পছন্দক্রম সম্পাদন হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সকল আবেদন বাতিল হবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমান তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তি কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমান তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>পুরোনো ফোনকে বানান দীর্ঘস্থায়ী </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10632/extend-old-phone-lifespan</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:27:37 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10632/extend-old-phone-lifespan</guid>
		<description> পুরোনো স্মার্টফোন দীর্ঘদিন ভালো রাখতে ব্যাটারির যত্ন, স্টোরেজ পরিষ্কার, সফটওয়্যার আপডেট ও অতিরিক্ত তাপ থেকে ফোনকে রক্ষার কার্যকর উপায় জেনে নিন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[টেক দুনিয়ায় নিত্যনতুন ফোনের চমক থামছেই না। এই তো সেদিন বাজারে এলো অ্যাপলের ফ্ল্যাগশিপ আইফোন সিরিজ- যার মধ্যে দৃষ্টিনন্দন ফোল্ডিং মডেলগুলোর দাম ছোঁয়াচ্ছে প্রায় ২,০০০ ডলারে! প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি, চোখধাঁধানো ক্যামেরা আর দারুণ সব ফিচার দেখে কার না ইচ্ছা করে নতুন একটা ডিভাইসে আপগ্রেড করতে? কিন্তু বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, প্রতি বছর হাজার হাজার টাকা খরচ করে নতুন ফোন কেনা কি সত্যিই প্রয়োজন? উত্তরটি হয়তো- &amp;lsquo;না&amp;rsquo;।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সম্প্রতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান &amp;lsquo;কাউন্টারপয়েন্ট&amp;rsquo;-এর সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, বিশ্বজুড়ে মানুষ এখন আর আগের মতো ঘন ঘন ফোন বদলাচ্ছে না। বর্তমানে একটি স্মার্টফোন ব্যবহারের গড় সময় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় চার বছরে! কেবল পকেটের টাকা বাঁচানোই নয়, পুরোনো ফোন বেশি দিন ব্যবহারের পেছনে রয়েছে ই-বর্জ্য কমিয়ে পরিবেশ রক্ষা করার মতো মহৎ উদ্দেশ্যও। আপনি যদি বুদ্ধিমানের মতো অল্প কিছু যত্ন নেন, তবে আপনার হাতের সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোনটি অনায়াসে চার থেকে সাত বছর পর্যন্ত প্রথম দিনের মতো পারফর্ম করবে। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু সহজ টিপস!&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;প্রথমত, ব্যাটারির আয়ু পরিমাপকারী সংস্থা হিসেবে &amp;lsquo;আইফ্লিক্স&amp;rsquo; বা রিমোট বা এ জাতীয় কোনো পরিচিত আন্তর্জাতিক ব্যাটারি বা মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নেই; মূলত ব্যাটারির স্বাস্থ্য নির্ভর করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ পূর্ণ চার্জ চক্রের ওপর। দ্বিতীয়ত, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির জন্য প্রচলিত ২০ থেকে ৮০ শতাংশের চার্জিং নিয়মটি বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত এবং তা ব্যাটারির রাসায়নিক ক্ষয়রোধে দারুণ কার্যকর। অ্যাপল বা অ্যান্ড্রয়েডের অপ্টিমাইজড ব্যাটারি চার্জিং ফিচারটি রাতভর চার্জিংয়ের সময় ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সত্যিই সাহায্য করে। এমনকি পাশাপাশি চরম তাপমাত্রা-বিশেষ করে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপ- ব্যাটারির আয়ু দ্রুত কমিয়ে দেয় এবং ফ্রিজে ফোন রাখার ধারণাটি যে একটি ভুল ধারণা, তা একদম নির্ভুল। চার্জিংয়ের সময় তাপ নির্গমনের বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যাক কভার খুলে রাখা কিংবা চার্জিং পোর্ট ও স্পিকার গ্রিলের নিয়মিত মৃদু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ডিভাইস সুরক্ষার জন্য খুবই উপযোগী। এ ছাড়া ওএলইডি ডিসপ্লেতে ডার্ক মোডের ব্যবহার এবং ব্রাইটনেস স্বয়ংক্রিয় রাখা ব্যাটারি সাশ্রয়ে ভূমিকা রাখে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সুতরাং অনলাইনের লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা না দিয়ে একটু সচেতনতা এবং সঠিক যত্নের মাধ্যমে নিজের সাধের গ্যাজেটটিকে চাইলেই অনায়াসে চার থেকে সাত বছর পর্যন্ত সচল ও ঝরঝরে রাখা সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদির তিন স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুমকি হুতিদের, সবাইকে সরে যাওয়ার নির্ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10631/houthis-threaten-saudi-arabia-three-sites</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:20:35 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10631/houthis-threaten-saudi-arabia-three-sites</guid>
		<description> সানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সম্ভাব্য হামলার জবাবে দাম্মাম ও রিয়াদের তিনটি স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছে হুতিরা। স্থাপনাগুলোর আশপাশ থেকে সরে যাওয়ার নির্দে </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইয়েমেনের রাজধানী সানায় যদি কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালানো হয়, তবে তার উপযুক্ত জবাব দিতে প্রস্তুত হুতি বিদ্রোহীরা। এর অংশ হিসেবে সরাসরি সৌদি আরবের জ্বালানি ও পরিবহন খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রাণকেন্দ্রকে ধ্বংস করার কড়া হুমকি দিয়েছে গোষ্ঠীটি।&amp;nbsp;
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;মঙ্গলবার এক ঘোষণায় হুতিরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সানা আক্রান্ত হলে সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত আরামকোর প্রধান কার্যালয়, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজধানী রিয়াদেই অবস্থিত আরামকোর শোধনাগারকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের যেকোনো তেল স্থাপনাকে তারা তাদের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে। এই সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যেই তিনি সৌদি তেল স্থাপনাগুলোতে কর্মরত সকল বিদেশি বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী এবং সাধারণ শ্রমিকদের জীবনঝুঁকি এড়াতে অবিলম্বে ওইসব এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার চূড়ান্ত সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। শুধু তেলক্ষেত্রই নয়, এর আগে যেসব বিমানবন্দর ও আকাশপথকে হুতিরা নিজেদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছিল, সেই একই কারণে বিমান সংস্থা, সাধারণ যাত্রী এবং সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্মীদেরও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে হুতিদের এই নতুন হুমকি দুই পক্ষের দীর্ঘমেয়াদি ও চলমান সংঘাতের পারদকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে। মূলত এই চরম উত্তেজনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার সকালেই, যখন সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুতি-নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানার আল-সাবাহা এলাকায় অবস্থিত ইয়েমেন পেট্রোলিয়াম কোম্পানির কেন্দ্রীয় স্টেশনটি সাধারণ নাগরিকদের অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ দেয়। জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, আসন্ন একটি সামরিক অভিযানের আগেই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতেই এই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;আর ঠিক এর পরপরই পাল্টা জবাবে হুতিরা এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে। তারা সাধারণ মানুষকে অবিলম্বে রিয়াদ এবং দাম্মামের উল্লেখিত তিনটি মূল স্থাপনা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে, কারণ সৌদি বাহিনী যদি সানায় তাদের পূর্বঘোষিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, তবে তার বিপরীতে এই স্থাপনাগুলোতেও অবধারিতভাবে হামলা চালানো হবে।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার এই সংকটময় মুহূর্তে এই পারস্পরিক হুমকি-ধমকি পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল ও রক্তক্ষয়ী করে তোলার আশঙ্কা তৈরি করেছে।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10630/bnp-former-mp-salahuddin-ahmed-dies</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 22:10:28 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10630/bnp-former-mp-salahuddin-ahmed-dies</guid>
		<description> বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা গেছেন। বুধবার জোহরের পর শ্যামপুরের লাল মসজিদে জানাজা হবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;বিএনপির নেতা ও ঢাকা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন ছেলে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তানভীর আহমেদ বাবার মৃত্যুর খবর জানান। একই সঙ্গে তিনি মরহুমের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তানভীরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজা আগামীকাল বুধবার জোহরের নামাজের পর রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলীর লাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সালাহউদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজধানীর শ্যামপুর-কদমতলী এলাকায় তিনি দলটির একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা-৪ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান মোল্লার কাছে পরাজিত হন তিনি। পরে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান। ওই নির্বাচনে প্রচারণা চালানোর সময় তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ঢাকায় টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো শুরু ১২ নভেম্বর </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10629/dhaka-textile-innovation-expo-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 22:03:24 +0600</pubDate>
		<category>অর্থনীতি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10629/dhaka-textile-innovation-expo-2026</guid>
		<description> ঢাকায় ১২ নভেম্বর শুরু হচ্ছে টিআইই–আইটিইটি টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো। এতে ৫০টি কারখানা ও ২০০টি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;ঢাকায় আগামী ১২ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী টিআইই&amp;ndash;আইটিইটি টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬। ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি) বাংলাদেশ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জ (টিআইই) যৌথভাবে পূর্বাচলের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। এতে বাংলাদেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও সক্ষমতা তুলে ধরা হবে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শনীর বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সুমায়েল মোহাম্মদ মল্লিক ও মহাসচিব এ এস এম হাফিজুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর পরিচালক ইমরান কাদের, বাংলাদেশ গার্মেন্টস প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আবদুল হামিদ এবং টেক্সটাইল ইনোভেশন এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এহসানুল করিম কায়সারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আইটিইটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের শিল্প খাতে প্রায় ১৫ হাজার প্রকৌশলী কাজ করছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচ হাজারের বেশি আইটিইটির সদস্য। বস্ত্র খাতের প্রকৌশলীদের শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই এ প্রদর্শনীর অন্যতম লক্ষ্য।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রদর্শনীতে তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও সরঞ্জাম খাতের ৫০টি কারখানা এবং প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদানকারী ২০০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এতে বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এবারের প্রদর্শনীতে টেক্সটাইল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ দেওয়া হবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে কারখানাভিত্তিক উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, পণ্য উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দেওয়াই এ পুরস্কারের উদ্দেশ্য। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করবেন বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>আদর্শের জন্য আত্মত্যাগ: ইসলামের পথে অবিচল থাকা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10628/sacrifice-for-islam-and-staying-firm-in-faith</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 20:57:56 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10628/sacrifice-for-islam-and-staying-firm-in-faith</guid>
		<description> আর তাই সবকিছুর পরও যদি আপনি এপথে চলার, স্রোতের বিপরীতে দাঁড়াবার সিদ্ধান্ত নেন, যদি আপনি সমাজ, মিডিয়া, রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূ </description>
		<content:encoded><![CDATA[সংগৃহীত: আসিফ আদনান&lt;br&gt;
লেখক, গবেষক
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&quot;How The Steel Was Tempered&quot; – নিকোলাই অস্ত্রোভস্কির বিখ্যাত বই। বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে “ইস্পাত” নামে। একটি আদর্শ সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য এক যুগলের আত্মত্যাগের গল্প। নিজেদের বিশ্বাস, নিজেদের আদর্শের জন্য গল্পের নায়ক পাভেল আর তার প্রেমিকা তনিয়া বিসর্জন দেয় আরাম-আয়েশ, নিরাপত্তা, চাকরি পরিবার, পরিবার গড়ার স্বপ্ন, আনন্দ, এমনকি এক অর্থে পরস্পরের জন্য ভালোবাসাকেও। নির্ঝঞ্ঝাট, ছকে বাধাঁ জীবনকে ছেড়ে বেছে নেয় অনিশ্চয়তা, উৎকণ্ঠা, দারিদ্র্য, আর কঠোর পরিশ্রমের বিপদসংকুল এক জীবনকে।

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

বইটা পড়ার সময় আদর্শের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে পাভেল আর তনিয়ার নিসংকোচ সদাপ্রস্তুত মনোভাব, ডেডিকেশান মুগ্ধ করেছিল। আর অবাক করেছিল সমাজতন্ত্রের মতো নির্জীব, মানুষের বানানো একটা প্রতিক্রিয়াশীল আদর্শের জন্য দুজনের এতোটা ত্যাগ।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

আদর্শের জন্য ত্যাগ স্বীকারের দৃষ্টান্ত পাভেল আর তনিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না, আর সীমাবদ্ধ না সমাজতন্ত্রের মধ্যেও। এরকম অনেক উদাহরণই ইতিহাসে আছে। শুধু রাজনৈতিক আদর্শই না- ইটালিয়ান মাফিয়া, জাপানিয ইয়াকুজা, কোসানোস্ট্রা সহ বিভিন্ন অপরাধীদের মধ্যেও নিজ অবস্থানের জন্য প্রবল প্রতিকূলতা, প্রচণ্ড নির্যাতন ও শাস্তি সহ্য করার এবং সবশেষে নিজ আদর্শের উপর অটল থাকার অনেক উদাহরণ আছে।
দুঃখজনক বিষয় হলো- আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যখন ইসলামের জন্য আত্মত্যাগের মানসিকতা অধিকাংশ মুসলিমের মধ্যেই অনুপস্থিত। মানুষের বানানো নানা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, খাপছাড়া আদর্শ আর দর্শনের জন্য আত্মত্যাগের কিংবা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হবার মানুষের অভাব না থাকলেও শাশ্বত সত্যের জন্য, অপরিবর্তনীয় ও অমোঘ জীবনবিধানের জন্য ত্যাগ স্বীকার করার মানুষের আজ অভাব। 
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

যে দ্বীনকে অবশ্য পালনীয় ও অপরিবর্তনীয় হিসেবে নাযিল করা হয়েছে, আজ আমরা ব্যস্ত আমাদের সুবিধা মতো সেই দ্বীনের বিভিন্ন বিধি-বিধান পাল্টে নেওয়াতে। ছোট-বড় প্রতিটি বিষয়ে আমাদের অধিকাংশের লক্ষ্য হলো আমাদের পছন্দমতো, আমাদের ইচ্ছেমতো আল্লাহর দ্বীনকে কাটছাঁট করে নেওয়াতে। অথচ ব্যাপারটা হওয়ার কথা ছিল উল্টো।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

আমাদের দায়িত্ব ছিল দ্বীন ইসলামের বক্তব্য অনুসারে আমাদের জীবনকে বদলে নেওয়া। আমাদের চিন্তা ও জীবনধারাকে শারীয়াহর দিকনির্দেশনার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া। কিন্তু আজ আমরা ব্যস্ত শারীয়াহকে, দ্বীনকে এমন ভাবে ব্যাখ্যা করতে যাতে করে তা আমাদের জীবনধারা, আমাদের খেয়ালখুশির সাথে খাপ খায়। যেখানে বাতিলের অনুসারীরা তাদের বাতিলের ব্যাপারে আপোষহীন, সেখানে হক্বের অনুসারী দাবি করেও আমরা হক্বের ব্যাপারে আপোষকামী। ছাড় দিতে, ব্যাখ্যা দিতে, বদলে দিতে উদগ্রীব।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

কথাগুলো কেন বলা? কারণ প্রতিকূলতা বর্তমানে একটা বাস্তবতা। আপনি দাড়ি রাখতে চান? আপনি সঠিকভাবে হিজাব করতে চান? আপনি ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে দিতে চান? আপনি নারীপুরুষের ফ্রি মিক্সিংয়ের ব্যাপারে ইসলামের বিধান মেনে চলতে চান? আপনাকে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

আপনি উম্মাহকে নিয়ে সেভাবে চিন্তা করতে চান, যেভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের চিন্তিত হতে বলেছেন? আপনি দ্বীন ইসলাম আংশিক পালনের বদলে, সামাজিক গ্রহনযোগ্যতার মাপাকাঠির বদলে আল্লাহর নির্ধারিত মাপকাঠি অনুযায়ী সামগ্রিক ভাবে ইসলাম পালন করতে চান? আপনাকে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে। আপনি কুফর ও শিরককে, &quot;কুফর&quot; ও &quot;শিরক&quot; বলে অভিহিত করতে চান? আপনি সকল মিথ্যা ইলাহকে বর্জন করে একমাত্র সত্য ইলাহ হিসেবে আল্লাহকে গ্রহণ করতে চান? আপনাকে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

আপনাকে ব্যাকডেটেড, আনকালচারড, আনসফিস্টিকেইটেড, বর্বর, সাম্প্রদায়িক, উগ্র-চরমপন্থী বলে ডাকা হবে। এটাই বাস্তবতা। আর সত্য হলো স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানোর কাজটা কখনোই সহজ না। পদে পদে, প্রতিনিয়ত নিজ বিশ্বাসের জন্য, আদর্শের জন্য প্রশ্নবিদ্ধ ও আক্রান্ত হবার পর নিজ অবস্থানের উপর অবিচল থাকা কঠিন।
কিন্তু সুখবর হলো, প্রত্যেক নবীকেই এ পথেই চলতে হয়েছে, প্রত্যেককেই পরীক্ষিত হতে হয়েছে, প্রত্যেকেই আক্রান্ত হয়েছেন – আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম। তাদের নিয়ে উপহাস করা হয়েছে, তাদের বিরোধিতা করা হয়েছে, তাদের হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে, তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে, অপমান করা হয়েছে। এ পথে চলার কারণেই পূর্ববর্তীদের দেহ দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে, লোহার চিরুনি দিয়ে তাদের হাড় থেকে মাংস আলাদা করা হয়েছে।

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

এই হলো সেই একই পথ যে পথকে যুগে যুগে অধিকাংশরা অস্বীকার করেছে, উপেক্ষা করেছে। এই হলো সেই পথ যে পথের পথিকরা যুগে যুগে পরীক্ষিত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। এই হলো নবীগণ, সত্যবাদীগণ, শহীদগণ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের পথ। অগ্রবর্তী ও ধৈর্যশীলদের পথ।
আর তাই সবকিছুর পরও যদি আপনি এপথে চলার, স্রোতের বিপরীতে দাঁড়াবার সিদ্ধান্ত নেন, যদি আপনি সমাজ, মিডিয়া, রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ﷺ স্থান দেন, যদি আপনি অধিকাংশের অনুসরণের বদলে সত্যের অনুসরণ করেন – তাহলে সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন -
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&quot;আল্লাহ লিখে দিয়েছেনঃ আমি এবং আমার রসূলগণ অবশ্যই বিজয়ী হব। নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, তাদেরকে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যদিও তারা তাদের পিতা, পুত্র, ভ্রাতা অথবা জ্ঞাতি-গোষ্ঠী হয়। তাদের অন্তরে আল্লাহ ঈমান লিখে দিয়েছেন এবং তাদেরকে শক্তিশালী করেছেন তাঁর অদৃশ্য শক্তি দ্বারা। তিনি তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত। তারা তথায় চিরকাল থাকবে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট। তারাই আল্লাহর দল। জেনে রাখো, আল্লাহর দলই সফলকাম হবে।&quot; [আল মুজাদিলাহ, আয়াত ২১ ও ২২]
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কি সত্য নয়? পুরস্কার হিসেবে এ পুরস্কার কি যথেষ্ট নয়?]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, প্রতিবাদ জানাল সরকার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10627/yunus-new-york-harassment-protest</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 20:40:41 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10627/yunus-new-york-harassment-protest</guid>
		<description> নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। দায়ীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে </description>
		<content:encoded><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনকে নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিষিদ্ধঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্কিন স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে দায়ীদের চিহ্নিত ও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, ড. ইউনূসকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে দায়ীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনা সন্ত্রাসীদের পক্ষেই ঘটানো সম্ভব। এ ঘটনা শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো দেশকেই অসম্মান করেছে।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>শিশুকে  দুধ পান করানো নিয়ে যেসব ভুল ধারণা ও অসতর্কতা এড়িয়ে চলা জরুরি </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10626/breastfeeding-mistakes-and-islamic-guidelines</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১২]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 20:33:09 +0600</pubDate>
		<category>ধর্ম</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10626/breastfeeding-mistakes-and-islamic-guidelines</guid>
		<description> দুধ-সম্পর্কের কারণে দুধ ভাই-বোনের দেখা সাক্ষাত বৈধ হয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে বিবাহ—শাদী হারাম হয়ে যায়। কিন্তু তারা সকল ক্ষেত্রে রক্ত সম্পর্কীয় আসল মাহরামের ম </description>
		<content:encoded><![CDATA[সংগৃহীত: হানাফি ফিকহ ফেসবুক গ্রুপ থেকে&lt;br&gt;
মাওলানা মুহাম্মাদ ইয়াহইয়া
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;


&lt;strong&gt;শিশুকে বুকের দুধ না দেওয়া&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
কোনো কোনো মা তার সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে চান না, খাওয়ালেও খুব কম খাওয়ান। তারা তাদের শিশুকে কেবল বাজারের গুড়ো দুধ খাইয়ে লালন করে থাকেন। অথচ মায়ের বুকের দুধে সন্তানের হক রয়েছে। এটা আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সন্তানের জন্য প্রদত্ত খাবার। তাই মায়ের শারীরিক অসুস্থতা কিংবা এধরনের বিশেষ ওযর না থাকলে সন্তানকে বুকের দুধ থেকে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই। এ সম্পর্কে কুরআন মজীদে এসেছে—&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;


وَ الْوَالِدٰتُ یُرْضِعْنَ اَوْلَادَهُنَّ حَوْلَیْنِ كَامِلَیْنِ لِمَنْ اَرَادَ اَنْ 
یُّتِمَّ الرَّضَاعَةَ.
&lt;br&gt;
অর্থ : ‘মাতাগণ নিজেদের বাচ্চাদেরকে পূর্ণ দু’বছর স্তন্যদান করবে, যদি দুধ খাওয়ার পূর্ণ মেয়াদ সমাপ্ত করতে চায়।’ —সূরা বাকারা, আয়াত ২৩৩

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

তাফসীরবিদগণ বলেন, এ আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, সন্তানকে দুধ পান করানো ওয়াজিব এবং আরও বোঝা গেল যে, বিশেষ ওযর ছাড়া স্তন্যদান থেকে বিরত থাকার অবকাশ নেই। —মাআরিফুল কুরআন; তাফসীরে মাযহারী; কুরতুবী; জামিউ আহকামিসসিগার ১/১২৩

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

তাছাড়া আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানেও এ বিষয়টি স্বীকৃত যে, শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। শিশুকে স্তন্যদান শিশুর জন্য যেমন উপকারী তদ্রূপ মায়ের জন্যও উপকারী।


&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;নির্ধারিত সময়ের পরও দুধ পান করানো&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
অন্যদিকে দেখা যায়, অনেক মা সন্তানকে ৩-৪ বছরও দুধ খাওয়ান। আবার অনেকে আড়াই বছর খাওয়ানো যায় মনে করে এ মেয়াদ পূর্ণ করেন। এটা ভুল। সন্তান অনুর্ধ্ব দুই বছর মার বুকের দুধ খেতে পারবে। দুই বছরের বেশি বয়সী সন্তানকে দুধ পান করানো নাজায়েয। দুই বছর দুধ পান করানোর বিষয়টি সূরা বাকারার ২৩৩ আয়াতে রয়েছে। এছাড়া আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেছেন,&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;


لا رضاع إلا في الحولين

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

‘মায়ের দুধ পানের সময় দুই বছরই।’&lt;br&gt;
 —সুনানে দারাকুতনী ৪/১৭৪; তাফসীরে মাযহারী ১/৩২৩; মাজমাউল আনহুর ১/৫৫২; আত্তাসহীহ ওয়াত্তারজীহ ৩৩৫; ফাতহুল কাদীর ৩/৩০৭-৩০৯

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;শিশু অন্য খাবারে অভ্যস্ত না হলে আড়াই বছর বুকের দুধ খাওয়ানো&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
অনেকে মনে করেন, দুই বছরের বেশি দুধ পান করানো যায় না—একথা ঠিক, তবে শিশুর স্বাস্থ্যহানীর আশঙ্কা থাকলে কিংবা অন্য খাবারে অভ্যস্থ না হলে আড়াই বছর বুকের দুধ খাওয়ানোর সুয়োগ আছে। এধারণাও ভুল। শিশুকে দুই বছরের বেশি বুকের দুধ খাওয়ানোর কোনো সুযোগ নেই। শিশু অন্য খাবারে অভ্যস্ত না হলেও। আজকাল বাজারে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি অনুপাতে বিভিন্ন কোম্পানির গুড়ো দুধ পাওয়া যায়। সুতরাং অন্য খাবারে অভ্যস্ত না হলেও তেমন অসুবিধা নেই।

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

দুই বছরের বেশি যেন বুকের দুধ খাওয়াতে না হয় এ জন্য পূর্ব থেকেই শিশুকে অন্য খাবারে অভ্যস্ত করা উচিত এবং এক বছর আট-নয় মাস হলেই বুকের দুধ কমিয়ে দেওয়া উচিত। যেন যথাসময়ে দুধ ছাড়ানো শিশুর জন্য কষ্টের কারণ না হয়ে যায়।
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;দুধ-সম্পর্কের বিধি-বিধান বিষয়ে উদাসীনতা&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
যে ছেলে-মেয়ে এক মায়ের দুধ পান করেছে তারা পরস্পর দুধ-ভাই, দুধ-বোন। এদের মধ্যে বিবাহ-শাদী হারাম। অথচ এ মাসআলাটির প্রতি অনেকেই ভ্রূক্ষেপ করে না। গ্রামে-গঞ্জে মহিলারা শখ করেই একে অন্যের সন্তানকে দুধ খাইয়ে থাকে। আবার অনেকে প্রয়োজনবশতও খাওয়ায়। যেমন, মাতার অসুখ হলে বাচ্চাকে পার্শ্ববতী অন্য মা দুধ পান করান, কিন্তু এ বিষয়টি এখানেই শেষ হয়ে যায়। যিনি দুধ পান করালেন তিনিও এটা স্মরণ রাখেন না, অন্যদেরকেও জানানো হয় না। আত্মীয়-স্বজন,পাড়া-পড়শিদেরও বিষয়টি জানা থাকে না। ফলে অনেক সময় দেখা যায়, কোনো কোনো দম্পতির বিবাহ হয়ে সন্তান-সন্ততি হয়ে যাওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দুধ ভাই-বোনের সম্পর্কের খোঁজ পাওয়া যায়। কত জটিল ও ভয়াবহ ব্যাপার! এর জন্য প্রথমত দুধ পান করানোর বিষয়েই সতর্ক হওয়া জরুরি। শিশুর দুধের অভাব বা প্রয়োজন ছাড়া শুধু শখ করে কিংবা হাসি-ঠাট্টাস্থলে অন্য মায়ের দুধ পান করানো থেকে বিরত থাকা জরুরি।

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

আর যদি কোনো শিশুকে দুধ পান করানো হয় তবে এ দুধ-সম্পর্কের কথা আত্মীয়-স্বজনকে জানানো এবং এ সম্পর্কের হেফাযত করা জরুরি। বরং ডায়েরীতে নোট করে রাখা উচিত। এটা শরীয়তের অনেক বড় হুকুম। সমাজে এ বিষয়ে চরম উদাসীনতা লক্ষ করা হয়। —তাফসীরুল মানার ৪/৪৭০, ফিকহুস্ সুন্নাহ ২/৪০৩
&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;দাদি-নানির দুধ পান করা যাবে না?&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
অনেকে মনে করেন, শিশু তার দাদি-নানির দুধ পান করতে পারবে না। যদি দুধ পান করে তবে বাবা-মার বৈবাহিক সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় । এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। শিশু তার দাদি-নানির দুধ পান করলে বাবা-মার সম্পর্ক নষ্ট হবে না। —আহসানুল ফাতাওয়া ৫/১২৫

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

&lt;strong&gt;দুধ সম্পর্কের অপব্যবহার&lt;/strong&gt;&lt;br&gt;
কোনো কোনো এলাকায় দেখা যায়, খালাত ভাই-বোন বা চাচাত ভাই-বোন যাদের মধ্যে পর্দা ফরয তারা বড় হলে পর্দা করতে পারবে না—এই আশঙ্কায় ছোট থাকতেই খালা বা চাচির দুধ খাইয়ে দেওয়া হয় যেন তারা বড় হয়ে পর্দা লঙ্ঘনের গুনাহে পতিত না হয়। যৌথ পরিবারে এমনটি বেশি ঘটে থাকে। অথচ শরীয়তে দুধ-সম্পর্কের বিধান এ উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়নি। দুধ সম্পর্কের ভিত্তি হবে সন্তানের দুধের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে। পর্দার হুকুম আদায় করতে পারবে না এ আশঙ্কায় দুধ পান করানো আদৌ সমীচীন নয়। কারণ স্বভাবগত কারণে মানুষ একেবারে পশুতে পরিণত না হলে কোনো রক্ত সম্পর্কীয় মাহরামের প্রতি কামভাবের উদ্রেক হয় না, কিন্তু দুধ ভাই-বোনের মধ্যে যেহেতু রক্তের সম্পর্ক নেই তাই তাদের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে কামভাবের সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য ফিকহের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য কিতাবে দুধভাই—বোনের একত্রে নির্জনে অবস্থান করাকে নাজায়েয বলা হয়েছে। —ফাতাওয়া শামী ৬/৩৬৯

&lt;/p&gt;

&lt;div style=&quot;height:20px;&quot;&gt;&lt;/div&gt;

&lt;p&gt;

দুধ-সম্পর্কের কারণে দুধ ভাই-বোনের দেখা সাক্ষাত বৈধ হয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে বিবাহ—শাদী হারাম হয়ে যায়। কিন্তু তারা সকল ক্ষেত্রে রক্ত সম্পর্কীয় আসল মাহরামের মতো নয়। আজকাল দুধভাই বোনের চালচলন আপন ভাই-বোনের মতোই দেখা যায়, যা আদৌ কাম্য নয়। একইভাবে তাদের একাকী সফরসম দূরত্বে যাওয়াও ঠিক নয়।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসচেতনতায় জোর, নতুন নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10625/dengue-control-awareness-drive-bangladesh</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 15:46:10 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10625/dengue-control-awareness-drive-bangladesh</guid>
		<description> ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পাড়া-মহল্লায় প্রচারণা ও জুমার খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঠেকাতে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো এবং জুমার নামাজের খুতবায় ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিষয়টি তুলে ধরতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামনের কয়েক মাস ডেঙ্গু মোকাবিলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ পরিস্থিতিতে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সংক্রমণ বেশি এমন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও অংশগ্রহণও জরুরি। এ বিবেচনায় স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ধর্মীয় জমায়েতকে সচেতনতা তৈরির কাজে যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জুমার খুতবায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার বিষয়টি তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন উপস্থিত ছিলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>এআই ব্যবহারে সতর্ক করলেন মাইক্রোসফট সিইও সত্য নাদেলা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10624/microsoft-ceo-satya-nadella-ai-safety-warning</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 15:37:00 +0600</pubDate>
		<category>তথ্যপ্রযুক্তি</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10624/microsoft-ceo-satya-nadella-ai-safety-warning</guid>
		<description> এআইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে মানুষের নিয়ন্ত্রণ, স্বাধীন নিরীক্ষা ও শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন মাইক্রোসফট সিইও সত্য নাদেলা। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে এর ব্যবহারে শক্তিশালী নিরাপত্তাব্যবস্থা ও মানুষের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সত্য নাদেলা। তাঁর মতে, গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার পেলে উন্নত এআই মডেল ভুল করতে পারে কিংবা নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে নাদেলা বলেন, এআই মডেল কেন নির্দিষ্টভাবে আচরণ করে, তা সব সময় ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় না। এ কারণে এআইয়ের কার্যক্রমের ওপর নজরদারির পাশাপাশি স্বাধীন সুরক্ষাব্যবস্থা ও নির্ভরযোগ্য কার্যপ্রণালি থাকা জরুরি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাদেলার মতে, এআই মডেলের অনিশ্চিত আচরণ সামাল দিতে এমন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যার কার্যক্রম পূর্বনির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্পখাতে নতুন নিরাপত্তামানও প্রতিষ্ঠা করতে হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;তিনি আরও বলেন, উন্নত ক্লোজড ও ওপেন-ওয়েট এআই মডেলকে সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ ঝুঁকির মতো বিবেচনা করে নিরাপত্তাব্যবস্থা তৈরি করা যেতে পারে। এর অর্থ এআইকে ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচনা করা নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে এর সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি রাখা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নাদেলা এআই মডেলকে তার কার্যক্রম সমন্বয়কারী ব্যবস্থা এবং কোন কাজ করার অনুমতি রয়েছে, তা নির্ধারণকারী কাঠামো থেকে পৃথক রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে এআইয়ের কার্যক্রম প্রয়োজনে সীমিত বা বন্ধ করা যায়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিরাপদ এআই ব্যবহারে সাতটি নীতির প্রস্তাব দিয়েছেন নাদেলা। এর মধ্যে রয়েছে মডেলের আচরণ পর্যবেক্ষণ, স্বাধীন নিরীক্ষা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং মানুষের হস্তক্ষেপের সুযোগ রাখা। তিনি জরুরি ব্রেকের উদাহরণ দিয়ে বলেন, অনুমোদিত ব্যক্তির যেন কাজ চলাকালেই এআই মডেল থামানো বা বন্ধ করার ক্ষমতা থাকে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া এআই-সংক্রান্ত ব্যর্থতা ও নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এতে কী ভুল হয়েছে, তা বোঝা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে বক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যারন লেভি নাদেলার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে এআই ব্যবস্থায় &amp;lsquo;জিরো ট্রাস্ট&amp;rsquo; পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তাঁর মতে, এআই এজেন্ট কী করছে, কোন তথ্য ব্যবহারের অনুমতি পাচ্ছে এবং ভুল হলে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনা যাবে&amp;mdash;এসব বিষয়ে একাধিক স্তরের সুরক্ষা ও নিরীক্ষাযোগ্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ক্রমবর্ধমান স্বয়ংক্রিয় এআই ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই নাদেলার এই বক্তব্য এসেছে। বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের তৈরি এআই মডেলকে ঘিরে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এসব ব্যবস্থার আচরণ কতটা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জশ হলি ও ক্রিস মার্ফি গত ১ অক্টোবর হ্যাকিংয়ের ঘটনায় এআইয়ের উন্নয়নকারী ও পরিচালনাকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় আইনের ঘোষণা দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইইউর বাজারে রপ্তানি সুবিধা চায় বাংলাদেশ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10623/bangladesh-netherlands-eu-free-trade-agreement</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 15:29:57 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10623/bangladesh-netherlands-eu-free-trade-agreement</guid>
		<description> ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এগিয়ে নেওয়া ও এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী রপ্তানি সুবিধা ধরে রাখতে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি কৃষি, পাটশিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বন্দর অবকাঠামো ও পানি ব্যবস্থাপনায় ডাচ প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ কাজে লাগানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী স্যোয়ার্ড স্যোয়ার্ডসমার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয় আলোচনা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও বাজারের সম্ভাবনার সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের প্রযুক্তিগত দক্ষতা যুক্ত হলে উভয় দেশ লাভবান হতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ইউরোপ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজার। এই বাজারে দীর্ঘমেয়াদি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ইইউর সঙ্গে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কারিগরি আলোচনা এগিয়ে নেওয়া এবং শুল্কবহির্ভূত বাণিজ্য বাধা কমাতে প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত সহযোগিতা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নেদারল্যান্ডসের উন্নত বীজপ্রযুক্তি, গবেষণা ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কৃষি খাতে কাজে লাগানো যেতে পারে। বিশেষ করে আলু ও অন্যান্য সবজির উৎপাদনশীলতা ও গুণগত মান বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য উৎপাদন এবং নতুন বাজার তৈরিতে যৌথ উদ্যোগের সুযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া সিলেটসহ সম্ভাবনাময় অঞ্চলে বিশেষায়িত সবজি চাষ সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে আধুনিক সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পাটশিল্পের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের নতুন বাজার তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। উন্নত পাটবীজ উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, যৌথ গবেষণাগার স্থাপন এবং বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনে ডাচ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং ও মিশ্র তন্তুর কাপড় তৈরির মাধ্যমে এ খাতে মূল্য সংযোজনের সম্ভাবনাও রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী স্যোয়ার্ড স্যোয়ার্ডসমা বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। কৃষিপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, শিল্পের আধুনিকায়ন, সামুদ্রিক পরিবহন ও পানি ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বাংলাদেশের সার কারখানাগুলোর আধুনিকায়ন ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ডাচ প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান স্ট্যামিকার্বনের সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি বিনিময় ও জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি বৈঠকে স্থান পায়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বন্দর ও সামুদ্রিক পরিবহন খাতে লালদিয়া টার্মিনালসহ বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, আধুনিক লজিস্টিকস ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ডাচ প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। নদী ও খাল খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনায় নেদারল্যান্ডসের গবেষণা সংস্থা ডেল্টারেসের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়টিও উঠে আসে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;ডাচ বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নে মেধাস্বত্ব ও পেটেন্ট সুরক্ষা, শুল্ক প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উন্নয়ন নিয়েও মতবিনিময় হয়। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় দক্ষতা বৃদ্ধি, তরুণ ও নারী কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলসহ উভয় দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ গেল মেকানিকের </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10622/jatrabari-car-hit-garage-mechanic-killed</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 11:52:37 +0600</pubDate>
		<category>সারাদেশ</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10622/jatrabari-car-hit-garage-mechanic-killed</guid>
		<description> যাত্রাবাড়ী দুর্ঘটনা, কোনাপাড়া সড়ক দুর্ঘটনা, গ্যারেজ মেকানিক নিহত, গাড়ির ধাক্কা, চালক পলাতক, ঢাকা মেডিকেল, Jatrabari accident, hit and run </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কোনাপাড়ায় গাড়ির ধাক্কায় ফালু মিয়া (৪৬) নামে এক গ্যারেজ মেকানিক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে গেছেন। তাঁকে শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফালু মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন ফালু মিয়া। এ সময় কোনাপাড়ায় মোল্লা কলেজের সামনের সড়কে একটি গাড়ি তাঁকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নিহতের স্বজন রতন জানান, ফালু মিয়া রাজধানীর পূর্ব কদমতলী এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। তাঁর বাবার নাম আব্দুল মতিন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজিবুর রহমান জানান, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ কোনাপাড়ায় মোল্লা কলেজের সামনের সড়কে যায়। সেখানে ফালু মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়ার পর দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এসআই সজিবুর রহমান আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফেরার সময় একটি গাড়ি ফালু মিয়াকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। গাড়িটি শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ফালু মিয়ার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>সৌদিতে টানা তৃতীয় দিন হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10621/saudi-arabia-houthi-missile-attacks-third-day</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 11:51:14 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10621/saudi-arabia-houthi-missile-attacks-third-day</guid>
		<description> সৌদি আরবে হামলা, হুথি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, রিয়াদ, সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা, Yemen Houthis, Riyadh Attack, Saudi Arabia News </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলার মুখে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সোমবার রাতে রিয়াদ ও খামিস মুশাইত অভিমুখে ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে রিয়াদের বাসিন্দারা একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। এর কিছুক্ষণ আগে মোবাইল ফোনে আকাশপথে হামলার আশঙ্কা জানিয়ে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, গোষ্ঠীটি রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি খামিস মুশাইতের একটি সামরিক বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, সোমবার রিয়াদ অভিমুখে ছোড়া একটি এবং খামিস মুশাইতের দিকে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে শনিবার হুথিদের হামলায় রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। রোববারের আরেক হামলায় একজন নিহত ও ১১ জন আহত হন। ধারাবাহিক হামলার পর বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী শনিবার পর্যন্ত বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকতে পারে। এ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন এয়ারলাইনস তাদের ফ্লাইট বাতিল করেছে। হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস ও যাত্রীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা না করারও আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, মক্কা ও মদিনা ছাড়া দেশটির অন্য বিমানবন্দরগুলো অনিরাপদ।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলোও হুথিদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আল-বুখাইতি তেল স্থাপনা ও বিমানবন্দরের কর্মীদের এসব এলাকা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, এসব স্থাপনা এখন হুথিদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে, বিমানবন্দরে ধারাবাহিক হামলা ঠেকাতে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা এপিকে এ বিষয়ে অবগত দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, হুথিরা প্রথমে কয়েকটি ড্রোন পাঠিয়ে প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ব্যস্ত করে। এরপর ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বিত হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বিমানবন্দরে আঘাত হানে বলে ধারণা করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কর্মকর্তাদের মতে, হুথিদের হাতে এমন কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যেগুলোর ওয়ারহেড উড্ডয়নের সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়টসহ সৌদি আরবের ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পক্ষে সেগুলো প্রতিহত করা কঠিন হয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হামলার আগে কেন আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো এক হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে রিয়াদে পৌঁছেছিল।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চার বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10620/bangladesh-weather-forecast-thunderstorms-four-divisions-october-2026</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৬]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 11:49:47 +0600</pubDate>
		<category>আবহাওয়া</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10620/bangladesh-weather-forecast-thunderstorms-four-divisions-october-2026</guid>
		<description> আবহাওয়ার পূর্বাভাস, চার বিভাগে বজ্রবৃষ্টি, দমকা হাওয়া, সাগরে লঘুচাপ, তাপমাত্রা, Bangladesh weather, thunderstorm, rainfall forecast, low pressure </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;দেশের চার বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শনিবার (১৭ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিদেশি চাপে পারমাণবিক প্রকল্প ছাড়বে না ইরান </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10619/iran-nuclear-program-foreign-pressure-eslami</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 08:51:12 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10619/iran-nuclear-program-foreign-pressure-eslami</guid>
		<description> বিদেশি চাপের মুখেও পারমাণবিক প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির লক্ষ্য ২০ হাজার মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিদেশি চাপের মুখেও পারমাণবিক প্রকল্প থেকে সরে আসবে না ইরান। দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ এসলামি জানিয়েছেন, কোনো বিদেশি শক্তির ইরানকে পারমাণবিক প্রযুক্তি থেকে বঞ্চিত করার অধিকার নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রোববার (১১ অক্টোবর) তেহরানে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মোহাম্মদ এসলামি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। অথচ ইরানের ক্ষেত্রে একই প্রযুক্তি ব্যবহারে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি এ অবস্থানের সমালোচনা করে বলেন, পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারের অধিকার থেকে ইরানকে বঞ্চিত করা গ্রহণযোগ্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনি আরও জানান, যুদ্ধের চাপ ও বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ইরান পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা অব্যাহত রেখেছে। দেশটির লক্ষ্য ২০ হাজার মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দেশটির সঙ্গে পশ্চিমা শক্তিগুলোর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এই পরিস্থিতিতে তেহরানের এমন ঘোষণা পারমাণবিক প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দেশটির অনড় অবস্থানকে তুলে ধরেছে। তবে ২০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনে নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে ওই প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইয়েমেনে হুতিদের গোলাবর্ষণে ৩ শিশুসহ আহত ৫ </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10618/yemen-houthi-shelling-taiz-five-civilians-injured</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 08:34:52 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10618/yemen-houthi-shelling-taiz-five-civilians-injured</guid>
		<description> ইয়েমেনের তাইজ শহরে হুতি বিদ্রোহীদের গোলাবর্ষণে তিন শিশুসহ অন্তত পাঁচজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। শহরের দুই এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ শহরে হুতি বিদ্রোহীদের গোলাবর্ষণে তিন শিশুসহ অন্তত পাঁচজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সাবার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শহরের আল-ধাহরা এলাকায় গোলাবর্ষণে একই পরিবারের চারজন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৪ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া কাছাকাছি বিয়ের বাশা এলাকায় পৃথক গোলাবর্ষণের ঘটনায় ৩০ বছর বয়সী এক নারী আহত হয়েছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তাইজ শহর দীর্ঘদিন ধরে ইয়েমেনের গৃহসংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ইরানের সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের অনুগত বাহিনীর মধ্যে সেখানে সংঘর্ষ চলে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষই যুদ্ধে অগ্রগতির দাবি করেছে। নতুন করে গোলাবর্ষণের এ ঘটনায় বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে হামলার বিষয়ে হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্যের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>বিমানে ছারপোকার উপদ্রব, কান্টাসের ফ্লাইট বাতিল </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10617/qantas-flight-cancelled-bedbug-infestation</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Oct 2026 08:32:08 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10617/qantas-flight-cancelled-bedbug-infestation</guid>
		<description> বিমানে ছারপোকার উপদ্রবের কারণে ইতালি থেকে অস্ট্রেলিয়াগামী কান্টাসের একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। যাত্রীদের বিকল্প ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;বিমানে ছারপোকার উপদ্রবের কারণে ইতালি থেকে অস্ট্রেলিয়াগামী একটি ফ্লাইট বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়ার বিমান সংস্থা কান্টাস। শনিবার (১০ অক্টোবর) উড়োজাহাজটি পরিষ্কার করার জন্য সাময়িকভাবে গ্রাউন্ডেড করা হয়। এ ঘটনায় যাত্রীদের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে বিমান সংস্থাটি। খবর বিবিসির।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার পার্থ থেকে রোমগামী প্রায় ১৭ ঘণ্টার যাত্রায় কয়েকজন যাত্রী ছারপোকার কামড়ের অভিযোগ করেন। কামড়ের চুলকানি কমাতে তাঁদের অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ দেওয়া হলেও একপর্যায়ে ওষুধের সরবরাহ শেষ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কান্টাসের এক মুখপাত্র জানান, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটির ইকোনমি শ্রেণির কয়েকটি আসনে ছারপোকার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় উড়োজাহাজটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ফ্লাইট বাতিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে সংস্থাটি। যাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি মূল যাত্রার নির্ধারিত সময়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিকল্প ফ্লাইটে তাঁদের আসন নিশ্চিত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা এনএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, ছারপোকা ছোট ও ডানাবিহীন পোকা, যা বিছানা, কাপড় ও আসবাবপত্রে থাকতে পারে। এদের কামড়ে চুলকানি হলেও সাধারণত গুরুতর স্বাস্থ্যসমস্যা হয় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিবহন খাতে ছারপোকার উপদ্রবের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। সম্প্রতি ইংল্যান্ডে ট্রেনচালকদের কক্ষে ছারপোকা পাওয়ায় সাউথইস্টার্ন রেলওয়ের কয়েকটি ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছিল। এ ছাড়া ২০১৭ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ছারপোকার কামড়ের অভিযোগ তুলেছিল একটি পরিবার। গত বছর তুর্কিশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। এসব ঘটনা বিমান ও রেল পরিবহনে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার গুরুত্ব আবারও সামনে এনেছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10616/russia-rejects-zelenskyy-60-day-ceasefire</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 22:39:54 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10616/russia-rejects-zelenskyy-60-day-ceasefire</guid>
		<description> ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের জন্য জেলেনস্কির ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। মস্কো সাময়িক বিরতির বদলে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রস্তাবিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, সাময়িক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তির মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটাতে চায় তারা।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;একই সঙ্গে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত &amp;lsquo;জ্বালানি যুদ্ধবিরতি&amp;rsquo; নিয়েও সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ক্রেমলিন।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, মস্কো সাময়িক যুদ্ধবিরতি চায় না; বরং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে রাশিয়া প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;পেসকভ বলেন, &amp;ldquo;ক্রেমলিনে প্রেসিডেন্ট পুতিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বারবার বলেছেন, আমরা যুদ্ধবিরতি চাই না। আমরা দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চাই এবং তা অর্জনের জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করতে প্রস্তুত।&amp;rdquo;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবের উদ্দেশ্য ছিল, যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ তৈরি করা। তবে রাশিয়া এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সাময়িকভাবে সংঘাত বন্ধের উদ্যোগটি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;যুদ্ধবিরতি নিয়ে অবিশ্বাস&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;অতীতেও দুই দেশের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সমঝোতা হলেও রাশিয়া তা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করে আসছে কিয়েভ। এ কারণে নতুন করে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নিয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে উদ্বেগ রয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;অন্যদিকে, মস্কো বলছে, সাময়িক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি সমঝোতা প্রয়োজন, যা সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটাতে পারে। তবে সেই শান্তিচুক্তির শর্ত কী হবে, সে বিষয়ে পেসকভের বক্তব্যে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;ট্রাম্পের &amp;lsquo;জ্বালানি যুদ্ধবিরতি&amp;rsquo; নিয়ে নীরবতা&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;এদিকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ট্রাম্পের ঘোষিত &amp;lsquo;জ্বালানি যুদ্ধবিরতি&amp;rsquo; নিয়েও পেসকভকে প্রশ্ন করা হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;জ্বালানি স্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা বন্ধের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এ ধরনের যুদ্ধবিরতির আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ট্রাম্পের ঘোষণার বিষয়ে ক্রেমলিনের অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় এ উদ্যোগের বাস্তবায়ন ও পরিধি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং জ্বালানি যুদ্ধবিরতি নিয়ে মন্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে মস্কো দীর্ঘমেয়াদি শান্তি সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত বন্ধে নতুন কোনও সমঝোতা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>ইরানি প্রযুক্তিতে দূরপাল্লার হামলায় শক্তিশালী হচ্ছে হুতিরা: বিশ্লেষক </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10615/houthis-iranian-technology-long-range-attacks</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 22:37:30 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10615/houthis-iranian-technology-long-range-attacks</guid>
		<description> ইরানি প্রযুক্তি ও স্থানীয় অস্ত্র উৎপাদনের সহায়তায় হুতিদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা বাড়ছে। লোহিত সাগরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছেন বিশ্লেষকের </description>
		<content:encoded><![CDATA[ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা আগের তুলনায় অনেক দূরের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে। এই দক্ষতা সম্ভবত ইরানের সহায়তায় অর্জিত হয়েছে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা ও সামরিক বিশ্লেষকরা।
&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আলেকজান্দ্রু হুডিস্টেয়ানু।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;তিনি জানান, হুতিরা বর্তমানে ১৫০০ থেকে ২০০০ কিলোমিটার (৯৩০ থেকে ১২৪০ মাইল) দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। গত কয়েক সপ্তাহে সৌদি আরবের বেশ গভীরে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে তারা এই সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো অত্যন্ত উন্নত ও নির্ভুল মারণাস্ত্র একা তৈরি করার প্রযুক্তিগত সামর্থ্য ইয়েমেনের এই গোষ্ঠীটির নেই। মূলত ইরানি প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহায়তা ও লজিস্টিক সাপোর্টের কারণেই তারা এ ধরনের কৌশলগত হামলা চালাতে পারছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;সৌদি আরবে হুতিদের ঘন ঘন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে এই বিশ্লেষক সতর্ক করে বলেন, একটানা হামলা চালাতে থাকলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার একটি &amp;zwnj;&amp;lsquo;পরিসংখ্যানগত ঝুঁকি&amp;rsquo; থেকেই যায়।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;পশ্চিমা নিরাপত্তা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, হুতিরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। পাশাপাশি উন্নত মিসাইল সিস্টেম আরও নিখুঁত করতে তারা আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সাহায্য নিচ্ছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;চলতি অক্টোবর মাসের শুরুতে হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন। নিহতদের মধ্যে দু&amp;rsquo;জন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক মারা গেছেন।&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ মন্ত্রিসভার </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10614/renewable-energy-use-cabinet-directives</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 22:31:58 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10614/renewable-energy-use-cabinet-directives</guid>
		<description> জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি রাসায়নিকের প্রবেশ রোধ ও উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত শেষের তাগি </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;জ্বালানিসংকট মোকাবিলা ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং এ খাতের সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থের প্রবেশ ঠেকাতে সতর্কতা অবলম্বন এবং উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বৈঠকসূত্রে জানা গেছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার শুধু নীতিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠপর্যায়েও নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিসভা। জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে এ খাতের প্রসার ও ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এ ছাড়া দেশে যাতে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থ প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছে মন্ত্রিসভা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে আয়োজনের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পূজার সময় যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>জ্ঞানেশের পর প্রধানমন্ত্রী ও অমিত শাহের পালা, বললেন রাহুল </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10613/rahul-gandhi-sir-protest-gyanesh-kumar</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 22:26:23 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10613/rahul-gandhi-sir-protest-gyanesh-kumar</guid>
		<description> ভারতের এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন বিরোধীরা। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন বিরোধী দলের নেতারা। একই দাবিতে সোমবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কয়েক হাজার মানুষ সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মিছিল করেন। এ সময় জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও তাঁর পদত্যাগের দাবি জানানো হয়।&lt;/div&gt;
&amp;nbsp;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;মিছিলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরাও। সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী প্রসাদ যাদব।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অনিয়ম ঘটেছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে মিছিলটি তিলক মার্গ হয়ে সুপ্রিম কোর্টের দিকে এগোলে ভগবান দাস রোডে পুলিশ বাধা দেয়। ফলে মিছিলটি আদালত পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। এ সময় ভগবান দাস রোড ও আশপাশের এলাকায় বহু মানুষ অবস্থান করছিলেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মিছিল শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রাহুল গান্ধী বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর দাবিতে একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ চলছে। তিনি বলেন, &amp;lsquo;এরপর প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের পালা। আমরা থামব না।&amp;rsquo; রাহুলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের চাপে কাজ করছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এদিকে, গত রোববার ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা দিল্লি পুলিশের কাছে চিঠি দিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জন্য নতুন তারিখ চেয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিক্ষোভের জন্য তিনটি বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে। সেগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সোমবার দিল্লির ছয়টি মেট্রোস্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার গেট বিকেল চারটা পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্টেশনগুলো হলো জনপথ, মান্ডি হাউস, বারাখাম্বা রোড, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, রাজীব চক ও প্যাটেল চক। দিল্লি মেট্রোরেল করপোরেশন জানিয়েছে, এসব স্টেশনে এক লাইন থেকে অন্য লাইনে ট্রেন বদলের সুবিধা চালু ছিল। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে রোববার ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে দিল্লির মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা এবং ইন্টারনেট সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ দেন। আদালত বলেন, কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে তা সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদে জনশৃঙ্খলা রক্ষার বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে মার্কিন জবাব পর্যালোচনা করছে ইরান </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10612/iran-us-response-hormuz-strait-reopening</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৭]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 22:22:35 +0600</pubDate>
		<category>আন্তর্জাতিক</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10612/iran-us-response-hormuz-strait-reopening</guid>
		<description> হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের জবাব পর্যালোচনা করছে ইরান। সাত শর্ত ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্য রয়েছে। </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;div&gt;
&lt;div&gt;ইরানের হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র যে বার্তা দিয়েছে, তা পর্যালোচনা করছে তেহরান। পর্যালোচনা শেষ হলে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে বলে জানিয়েছে ইরান। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/div&gt;

&lt;div&gt;
&lt;p&gt;বাঘাই বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। তবে আলোচনার অগ্রগতি বা মার্কিন জবাবের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি তিনি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। সংঘাত বন্ধে কাতার ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং আলোচনা শুরুর বিষয়ে ইরান সাতটি শর্ত দিয়েছে বলে গত রোববার দেশটির নিরাপত্তাবিষয়ক প্রধান জানান। তাঁর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের জবাবে এসব শর্ত যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;এর আগে গত জুনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। পরে সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে যায় এবং দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হামলা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন প্রস্তাব দেয় ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের জবাব পাওয়ার কথা তেহরান নিশ্চিত করলেও আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পায়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;দুই দেশের মধ্যে আলোচনার প্রধান মতপার্থক্যগুলোর একটি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। ওয়াশিংটন চায়, নতুন করে আলোচনা শুরু হলে প্রথম থেকেই এ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হোক। অন্যদিকে তেহরানের অবস্থান হলো, আগে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার বিষয়টি সমাধান করতে হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। সংঘাত শুরুর পর এই নৌপথ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;&amp;nbsp;&lt;/p&gt;
&lt;/div&gt;
&lt;/div&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট স্থগিত </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10611/dhaka-riyadh-flights-suspended</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৩]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 20:03:35 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10611/dhaka-riyadh-flights-suspended</guid>
		<description> রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। </description>
		<content:encoded><![CDATA[রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সোমবার (১২ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানিয়েছে, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও নতুন যাত্রাসূচি যথাসময়ে জানানো হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তাদের ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার বিমানবন্দর উদ্বোধনের সম্ভাবনা </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10610/coxsbazar-international-airport-launch-november</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 15:47:00 +0600</pubDate>
		<category>জাতীয়</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10610/coxsbazar-international-airport-launch-november</guid>
		<description> নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করতে পারেন বলে জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে পারে কক্সবাজার বিমানবন্দর। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করতে পারেন বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তবে উদ্বোধনের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা নিয়ে আয়োজিত এক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উদ্বোধনের জন্য তাঁর সময় পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ২৬ অক্টোবর সরকারি সফরে জাপান যাবেন এবং ২৯ অক্টোবর দেশে ফিরবেন। এরপর তাঁর সুবিধাজনক সময় অনুযায়ী উদ্বোধনের নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা এবং সম্ভাব্য গন্তব্য নির্ধারণের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী। কোন কোন দেশের এয়ারলাইন্স সরাসরি এই বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে সচিবালয়ের সভায় বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইন্সের কান্ট্রি হেডরাও অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের প্রস্তাব ও মতামত পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে গন্তব্য দেশগুলো চূড়ান্ত করা হবে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র। বিমানবন্দরটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে বিদেশি পর্যটকদের সরাসরি যাতায়াতের সুযোগ বাড়তে পারে। এতে পর্যটন খাতের প্রসার, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব সুবিধা বাস্তবায়ন নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু, গন্তব্য নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার ওপর।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

         
    
    <item>
		<title>চুয়েটে ভিসিকে অবরুদ্ধ করে ভবনে তালা, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন </title>
		<link>https://kalerdiganta.com/10609/cuet-vc-confined-building-locked-power-cut</link>
		<dc:creator><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-১৮]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 12 Oct 2026 15:35:21 +0600</pubDate>
		<category>পড়ালেখা</category>
		<guid isPermaLink="true">https://kalerdiganta.com/10609/cuet-vc-confined-building-locked-power-cut</guid>
		<description> চুয়েটে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে ভবনে তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের খবর </description>
		<content:encoded><![CDATA[&lt;p&gt;চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে উপাচার্য ভবনের ফটকে পুনরায় তালা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;সোমবার সকালে নিয়োগের প্রায় ২০ দিন পর উপাচার্য ভবনের ফটকে ঝোলানো তালা ভেঙে নিজের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। তাঁর ক্যাম্পাসে আসার খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে তাঁরা উপাচার্যকে দুপুর ১২টার মধ্যে কার্যালয় ছেড়ে যাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনের ফটকে আবারও তালা ঝুলিয়ে দেন। ভবনটির বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। এ সময় তাঁরা নতুন উপাচার্যের নিয়োগ প্রত্যাখ্যান এবং নিজেদের দাবি আদায়ের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগের প্রতিবাদে এবং সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে পরদিন থেকেই &amp;lsquo;কমপ্লিট শাটডাউন&amp;rsquo; কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশও কর্মবিরতি পালন করছেন বলে জানা গেছে। আন্দোলনের কারণে টানা ২০ দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতির কারণে এত দিন ক্যাম্পাসে যেতে পারেননি নবনিযুক্ত উপাচার্য। সোমবার তিনি কার্যালয়ে প্রবেশের পর আন্দোলনকারীরা নতুন করে অবস্থান কর্মসূচি জোরদার করেন।&lt;br /&gt;
&amp;nbsp;&lt;/p&gt;

&lt;p&gt;শিক্ষার্থীরা নিয়োগ বাতিলের দাবিতে অনড় থাকায় এবং উপাচার্য কার্যালয়ে প্রবেশ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট আরও জটিল হয়েছে। এ অবস্থায় প্রশাসনিক কার্যক্রম ও ক্লাস-পরীক্ষা কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর পরিস্থিতির অগ্রগতি নির্ভর করছে।&lt;/p&gt;]]></content:encoded>
	</item>
			
			
			

</channel>
</rss>